নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যে কমপক্ষে ১০ দিনের জন্যে লকডাউন প্রয়োজন বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছেন এখনই লকডাউন নয়। বরং বেড বাড়ানোর দিকে জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কারন লকডাউন মানেই বেকারত্ব, কাজ হারানর ভয়। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন কাজের থেকে প্রাণ বড়। করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাক্কা প্রথম ধাক্কার থেকে অনেক বেশি ভয়ঙ্কর।
আরও পড়ুনঃ টিকা নিয়ে কেন্দ্রের রাজনীতির বিরুদ্ধে বিজয়নের পাশে কেরলবাসী, এভাবেও সম্ভব!


চিকিৎসকদের একাংশের ব্যাখ্যা, এখন লকডাউনই পারে করোনা সংক্রমণের চেন ভাঙতে। রাজ্যবাসী যদি ১০ দিন বাড়ি থেকে একেবারেই না বেরন তাহলে সুবিধা হবে হাসপাতালগুলির। গুছিয়ে নেওয়ার সময় পাবেন তাঁরা। কারন সামনের দিন বড়ই ভয়ঙ্কর। এই বিষয়ে করোনা সংক্রমণের গতির তথ্য সামনে তুলে ধরছেন তাঁরা। ১৯শে এপ্রিল রাজ্যে সংক্রামিত হয়েছিলেন ৮ হাজার ৪২৬ জন, মৃত্যু হয়েছিল ৩৮ জনের। সেটা আজ অর্থাৎ ৫ দিনের মাথায় ২৩শে এপ্রিল বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় দ্বিগুণ।
আজ রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছে ১২ হাজার ৮৭৬ জন। যা নিয়ে রাজ্যে সার্বিক ভাবে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ লক্ষ ১৩ হাজার ৭৮০ জন। এই বিপুল আক্রান্তের মধ্যে এখন চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭৪ হাজার ৭৩৭ জন। আজ করোনা কেড়ে নিল ৫৯ টি প্রাণ। যা নিয়ে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১০ হাজার ৮২৫ জনের। কমছে সুস্থতার হার, গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন মাত্র ৫ হাজার ৯৩৯ জন।
পরিস্থিতির বাধ্যবাধকতায় লকডাউন চাইছেন চিকিৎসকরা। রাজ্যে কমপক্ষে ১০ দিনের জন্যে হলেও লকডাউন চাইছেন তাঁরা। চাইছেন সময় নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার জন্যে। সামনে বড় লড়াই, বড্ড খারাপ দিন আসছে। এদিকে দিল্লির ‘অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস’ (এমস)-এর অধিকর্তা রণদীপ গুলেরিয়া দিয়েছেন খারাপ খবর। আজ তিনি বলেছেন, ‘‘এখনও পর্যন্ত পাওয়া সীমিত তথ্যের ভিত্তিতে আমরা বলতে পারি, ভারতে করোনাভাইরাসের নতুন যে রূপগুলির দেখা মিলেছে সেগুলি আরও বেশি সংক্রামক।’’ দু’টি টিকা নেওয়ার পরেও কোভিড আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন এমস অধিকর্তা রণদীপ।










