নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যে লকডাউনের বিজ্ঞপ্তি দিল নবান্ন। রাজ্যে বন্ধ হচ্ছে শপিং মল, সিনেমা হল। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হচ্ছে রেস্তোরাঁ, বিউটি পার্লার, স্পা। আজ থেকেই বন্ধ জিম, স্যুইমিং পুল, স্পোর্টস কমপ্লেক্স। ভয়াবহ পরিস্থিতি, রাজ্যে অব্যাহত রেকর্ড ভাঙা সংক্রমণ। আর সংক্রমণের চেন ভাঙার জন্যে চিকিৎসকদের একাংশ চাইছিলেন লকডাউন। অবশেষে সেটাই হল। রাজ্যে জারি হল আংশিক লকডাউন।
আরও পড়ুনঃ করোনা কালের নির্বাচন, গণনার বিধি-নিষেধ নিয়ে নিঁখুত ব্লু প্রিন্ট বানাচ্ছে কমিশন!


চিকিত্সকদের একাংশের ব্যাখ্যা, এখন লকডাউনই পারে করোনা সংক্রমণের চেন ভাঙতে। রাজ্যবাসী যদি ১০ দিন বাড়ি থেকে একেবারেই না বেরন তাহলে সুবিধা হবে হাসপাতালগুলির। গুছিয়ে নেওয়ার সময় পাবেন তাঁরা। কারন সামনের দিন বড়ই ভয়ঙ্কর। এই বিষয়ে করোনা সংক্রমণের গতির তথ্য সামনে তুলে ধরছেন তাঁরা। tতাঁর ভিত্তিতেই লকডাউন জারি করেছে রাজ্য সরকার।
রাজ্যে লকডাউনের বিজ্ঞপ্তি দিল নবান্ন। নবান্নের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলা হয়েছে, সকাল ৭ থেকে ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে বাজার। ফের খোলা থাকবে দুপুরে ৩টে থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ছাড় দেওয়া হয়েছে অত্যাবশ্যকীয় জিনিসপত্র ও মেডিক্যাল দোকানকে। আংশিক লকডাউনের আওতা থেকে বাদ ওষুধের দোকান, মুদিখানা। রাজ্য সরকারের এই নির্দেশ আজ থেকেই কার্যকর হচ্ছে।
এদিকে নির্বাচন কমিশন আগেই ঘোষণা করেছিল, গণনাকেন্দ্রে জমায়েত করা যাবে না। বিজয় মিছিলেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সেই নির্দেশ মেনে চলতে হবে বলে জানানো হয়েছে নবান্নের নির্দেশিকায়। পাশাপাশি বলা হয়েছে, নির্দেশ অমান্য করলে ভারতীয় দণ্ডবিধি ও বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা আইনে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে সূত্র জানাচ্ছে ২রা মে ফল প্রকাশের পর সার্বিক লকদাউনের পথে হাঁটবে রাজ্য।
নজরবন্দির খবরে শিলমোহর। উল্লেখ্য, গত ২৬শে এপ্রিল নজরবন্দি একটি প্রতিবেদনে রাজ্যবাসীকে আগেই সতর্ক করেছিল লকডাউনের বিষয়ে। বলা হয়েছিল ২৯ তারিখের পর কমপক্ষে ১০ ডিনের জন্যে লকডাউন জারি করবে রাজ্য সরকার। কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল ৩০ তারিখে নবান্ন নির্দেশিকা দিল লকডাউনের। সেই খবরের লিঙ্কঃ করোনা রুখতে নয়া উদ্যোগ, ২৯ এপ্রিলের পর থেকে লক ডাউনের পথে রাজ্য সরকার।









