নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাম আমলে নিয়ম মেনে নিয়োগ হত, কিছুদিন আগেই কাটোয়ায় বিজেপির সভায় এসে রাজ্যের কৃষক সুরক্ষা অভিযানের সূচনা করেন সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাদ্দা। সেই সভায় দেখা যায়নি সদ্য তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারী। তবে আজ চন্দননগরের সার্কাস ময়দানে একই উদ্দেশ্যে হওয়া সভায় ফের স্বহমহিমায় দেখা গেল রাজ্যের প্রাক্তন পরিবহনমন্ত্রীকে।
আরও পড়ুনঃ ‘গোলি মারো শালো কো’, স্লোগান এবার খোদ শুভেন্দুর মিছিলে!
সভা থেকে শুধু নিজের প্রাক্তন দল তৃণমূলকে আক্রমণ করেননি উলটোপুরাণ ঘটিয়ে মুখ থেকে বেরিয়ে এল বামফ্রন্টের প্রশংসাও। যে বামফ্রন্টকে হারাতে একসময় শাসক দলের অন্যতম প্রধান মুখ ছিলেন শুভেন্দু। আজ হুগলীর সভা থেকে তৃণমূলের দিকে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন ” রাজ্যকে বাঁচাতে হলে তৃণমূল প্রাইভেট লিমিটেড নামক কোম্পানিকে ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে।
একে একে অনেকেই দলত্যাগ করে বিজেপিতে আসবে। কারন প্রাইভেট লিমিটেডের কর্মচারীর মত কাজ না করে বিজেপিতে সহযোদ্ধা সহকর্মীর মত কাঁধে কাঁধ রেখে লড়াই করা যায়।” নাম না করে ফের যুব নেতা অভিষেককে তোলাবাজ ভাইপো বলে আক্রমণ করেন। এরপরেই তাঁর মুখে শোনা যায় একদা চরম বিরোধী বামফ্রন্টের প্রশংসা। তিনি বলেন ” বামফ্রন্টের বিরোধিতা করলেও কিছু কাজ স্বীকার করতেই হয়। সিপিএম আমলে প্রতি বছর এসএসসি হত।
২০১৪ সাল থেকে এসএসসি বা কোনরকম চাকরি দেওয়া হয়নি। কোনরকম কর্মসংস্থান হয়নি। আমিও তাই বেরিয়ে এসছি প্রাইভেট লিমিটেড থেকে।” বালি খাদান থেকে বালি পাচার এবং সদ্য গরু পাচার কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া লালার নামও উঠে আসে তাঁর মুখে। তৃণমূল কংগ্রেসকে চোরের পার্টিও আখ্যা দেন। সভা থেকে বিজেপির জয় নিয়ে একরকম নিশ্চিত শুভেন্দু বলেন ” আমি বালুমাটির লোক। আমার বাড়ি সমুদ্রের কাছে। আর দিলিপদা লাল মাটির লোক।
বাম আমলে নিয়ম মেনে নিয়োগ হত, দিলীপদা বলেছেন রাম লক্ষন দুই ভাই হাত মিলিয়েছি। তাই গঙ্গার এপারের দিক আমরাই দেখে নেব। নৈহাটি তে অর্জুন একাই কাফি। আর হুগলীতে রয়েছে লকেট যিনি গত লোকসভায় লিড করছেন। আর উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের কোন অস্তিত্বই থাকবে না।” প্রসঙ্গত সভা থেকেই বিজেপির পতাকা হাতে নিয়ে তৃণমূল ছাড়লেন বেশ কিছু নেতা কর্মী। শুভেন্দু তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন। রাজ্য ও দেশে নরেন্দ্র মোদীর সরকার আনার ডাক দেন সভা থেকে।



