নজরবন্দি ব্যুরো: এক মাসেই মোহভঙ্গ, সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। আর বিধানসভা নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে ততই যেন গরম হচ্ছে রাজ্যের রাজনৈতিক বাজার। জমে উঠেছে দলবদলের খেলা। বলতে গেলে প্রায় প্রতিদিনই হয় শাসক শিবির নয়তো বিরোধী শিবির বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন নেতা কর্মীরা। তবে শাসক দলকে ‘সাময়িক’ ধাক্কা দিয়ে অন্য দলে গেলেও ফের ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে আসছেন নেতা কর্মীরা। ঠিক যেমন সুরেশ করণ। বিজেপিতে গিয়েও ফের ফিরে এলেন তৃণমূল শিবিরে। যা গেরুয়া শিবিরের কাছে পাল্টা ধাক্কা বলে মত রাজনৈতিক মহলের।
আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে আবার এক মঞ্চে মমতা-মোদি? সৌজন্যে সুভাষ


যদিও বিজেপির বক্তব্য, তাঁর চলে যাওয়ায় দলের কোনো ক্ষতি হবে না। এই সুরেশ করণ সদয় বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। তবে নিজের পুরনো দলে ফিরে নিজের ‘অনুগামী’ শুভেন্দুকে আক্রমণ করতে ছাড়েননি। প্রসঙ্গত, ডিসেম্বর মাসের ১৯ তারিখ সকলকে ধাক্কা দিয়ে অমিত শাহের উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দেন নন্দীগ্রামের ভূমিপুত্র শুভেন্দু অধিকারী।
আর সেই মাসেরই তিন তারিখ দিলীপ ঘোষের উপস্থিতিতে সুরেশবাবু বিজেপিতে গিয়েছিলেন। যদিও এক মাস কাটতে না কাটতেই মোহভঙ্গ। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সৌমেন মহাপাত্রর হাত ধরে ফের তৃণমূলে যোগ দিলেন হলদিয়ার শ্রমিক নেতা । প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই বিজেপি ছেড়ে ফের তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাপরিষদ কর্মাধ্যক্ষ সিরাজ খান। ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে বিজেপিতে যোগ দেন সিরাজ খান। কয়েকদিন আগেই তৃণমূল ভবনে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাত থেকে ফের একবার তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেন সিরাজ খান।
এক মাসেই মোহভঙ্গ, এরপর বিজেপিকে কটাক্ষের সুরে পার্থবাবু বলেন, ‘খুব ঘটা করে কৈলাস বিজয়বর্গীয় সিরাজ খানকে বিজেপিতে যোগ করিয়েছিলেন। আজ আবার আমরা ঘটা করে সিরাজকে তৃণমূলে যোগ করালাম।’ অন্যদিকে সিরাজ খান বলেন, ‘আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় কাজ করতে চাই।









