নজরবন্দি ব্যুরোঃ অতি সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসেছিলেন লতা মঙ্গেশকর। বাবা দীননাথ মঙ্গেশকর ছিলেন নাট্যমঞ্চের পরিচিত মুখ। বাবার হাত ধরেই অনেক ছোট বয়সে নাটক, গানের সঙ্গে পরিচয়। দিদিমার কাছে লোকগানের তালিম নেওয়া শুরু সেই ছেলেবেলায়। মাত্র ১৩ বছর বয়সে গান গেয়ে ২৫ টাকা রোজগার করেছিলেন লতা। তার পর তো স্বপ্নের উড়ান।
আরও পড়ুনঃ মানব সরস্বতীর বিদায়ে শোকস্তব্ধ বাংলার সঙ্গীত শিল্পীরা
দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের মানুষেরও মন জয় করেছিল সুরেলা কণ্ঠ। এই মহান শিল্পীর জীবনের প্রথম রোজগার ছিল মাত্র ২৫ টাকা। সেখান থেকে আজ তিনি ১০০ কোটি টাকার বেশি সম্পত্তি রেখে গেলেন। তাঁর ওই ২৫ টাকা দিয়ে শুরু হলেও তার অধ্যাবসায় ও নিষ্ঠা দিয়েই তিনি ছিলেন এই টাকার মালিক। সূত্রের খবর, বর্তমানে লতার মাসিক আয় ছিল প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা।

বছরে পেতেন ৬ কোটি টাকার কাছাকাছি। আর সেই অর্থ আসতো তাঁর গাওয়া কয়েক লক্ষ গানের রয়েলিটি থেকে। অপরদিকে কিছু রিপোর্ট বলছে, গায়িকার অর্থের পরিমাণ প্রায় ৩৭০ কোটি টাকা। আবার অন্যরা দাবি করছেন, লতার মোট সম্পত্তি ১০৭ থেকে ১১৫ কোটি টাকা। ফলে তার সম্পত্তি নিয়ে বিভিন্ন সমীক্ষায় বিভিন্ন রিপোর্টে উঠে এসেছে বিভিন্ন রকম ফল।

সঙ্গীত সম্রাজ্ঞী সৌখিন ছিলেন চার চাকার ব্যাপারেও। তার বাড়িতে থাকতো বেশ দামি দামি গাড়ি। তার জীবনের প্রথম গাড়ি তিনি কিনেছিলেন শেভরন। এছাড়াও লতার গ্যারেজে ছিল বুইক এবং ক্রিসলার। পরে তিনি যশ চোপড়ার কাছ থেকে উপহার পেয়েছিলেন মারসিটিস।
১৩ বছর বয়সে গান গেয়ে পেয়েছিলেন ২৫ টাকা, আজ কত টাকার সম্পত্তি রেখে গেলেন সংগীতসম্রাজ্ঞী
এত অর্থের মালিক এত নাম এত খ্যাতি এত প্রতিপত্তির পরেও তিনি কিন্তু ছিলেন মাটির মানুষ। কারণ তিনি বিখ্যাত হয়ে উঠলেও নিজের শিকড় তিনি কিন্তু ভুলে যাননি। অত্যন্ত মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা এই মহাগায়িকার ৯২ বছর বয়সে চলে যাওয়াটা ভারত তথা গোটা পৃথিবীর সংগীতের বড় ক্ষতি বলে মনে করছেন সঙ্গীত বিশেষজ্ঞরা।



