নজরবন্দি ব্যুরোঃ কয়লা পাচারকাণ্ডে বড়সড় মোর, লুকআউট নোটিস জারি প্রধান অভিযুক্ত লালার বিরুদ্ধে ।কয়লা পাচারকাণ্ডের তদন্তে এবার উঠেপড়ে নামল দেশের প্রধান তদন্তকারী সংস্থা। যে তদন্তে নেমে প্রথমেই তারা লুকআউট নোটিস জারি করে বসল প্রধান অভিযুক্ত লালা ওরফে অনুপ মাঝির বিরুদ্ধে। যে লালাকে এই পাচার চক্রের অন্যতম প্রধান মাথা বলে মনে করছে তদন্তকারী সংস্থা।সিবিআই সুূত্রে খবর সোমবার তাঁকে সকাল ১১ টাই তাঁকে সিবিআই দপ্তরে তলব করা হলেও তিনি সেখানে উপস্থিত হননি।বদলে দেখা গেছে তাঁর স্ত্রী ও আইনজীবীকে।
আরও পড়ুনঃফের উত্তপ্ত কাশ্মীর,পুলওয়ামায় গুলির লড়াইয়ে খতম দুই জেহাদি


তাদের থেকে লালার ব্যাপারে কিছু জানতে পার যায়নি। এমনকি কোথায় আছেন সে ব্যাপারেও কিছু জানায়নি তারা। এর পর লালার বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালালেও লালার টিকি পাওয়া যায়নি। তারপরেই লালার বিরুদ্ধে জারি হয় এই নোটিস। ইতিমধ্যেই সমস্ত বিমানবন্দরে লালার ছবি নাম পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। যাতে কিছুতেই দেশ থেকে পালাতে না পারেন তিনি।সিবিআই সূত্রে আরও খবর,লালা ওরফে অনুপ মাঝির সহযোগী ব্যবসায়ী নীরজ সিংহকে তলব করেছে সিবিআই। অভিযোগ, নীরজ সিংহের বিরুদ্ধে লালার হয়ে প্রভাবশালীদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল নীরজের।সম্প্রতি কয়লা পাচার কান্ডের তদন্তে জোরদার অভিযান চালায় সিবিআই।
কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, রানিগঞ্জ, দুর্গাপুর, আসানসোল-সহ রাজ্যের ৩০টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই অফিসাররটিকয়লা পাচার কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার বাড়ি এবং অফিস। এমনকী অনুপ মাঝির ঘনিষ্ঠদের বাড়িতেও চলছে সিবিআইয়ের ম্যারাথন তল্লাশি। পাশাপাশি সিবিআই বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।কয়লা পাচার কাণ্ডে অন্যতম পান্ডা লালা এখনও বেপাত্তা। বাংলায় কয়লা কেলেঙ্কারির পিছনে লালার ভূমিকা যথেষ্ট বলে জানতে পেরেছেন সিবিআই আধিকারিকরা। তাঁর অঙ্গুলিহেলনেই বেআইনি কয়লা আদান-প্রদান ঘটে বলে নির্দিষ্ট তথ্য রয়েছে সিবিআইয়ের কাছে।
কয়লা পাচারকাণ্ডে বড়সড় মোর, লুকআউট নোটিস জারি প্রধান অভিযুক্ত লালার বিরুদ্ধে ।প্রসঙ্গত, কয়লা পাচার কাণ্ডে প্রথমে তদন্তে নামে আয়কর দফতর। তারা তদন্ত করে যে তথ্যপ্রমাণ বা নথি পেয়েছে সে সব জানতে চেয়ে আয়কর দফতরকে চিঠি দেয় সিবিআই। সেই ফাইল হাতে আসার পর এবার জোরকদমে তদন্তে নামে সিবিআই। কয়লার পাশাপাশি গরু পাচার-কান্ডের তদন্তও চালাচ্ছে সিবিআই।









