নজরবন্দি ব্যুরোঃ ৩ দিনে লক্ষ্মীর ভান্ডারের আবেদন ছাড়িয়েছে ৩০ লক্ষ, আজ নবান্ন সভাঘর থেকে একথা জানিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম দিন থেকেই লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে জনপ্রিয়তা লক্ষ্য করা গিয়েছে জেলায় জেলায়। ফর্মের জন্য ভোর রাত থেকে লাইন দিয়েছেন মানুষ। ভিড়ের ঠেলাঠেলিতে বীরভূম-মালদহে পদপিষ্ট হয়েছেন বেশ কয়েকজন। কোথাও কোথাও খোয়া গিয়েছে টাকা-ব্যাগ-ফোন।
আরও পড়ুনঃ দুগ্ধশিল্প প্রসারে উদ্যোগী মমতা, মাদার ডেয়ারির নাম বদলে করবেন বাংলা ডেয়ারি


তৃতীয় দফায় ক্ষমতায় ফেরার আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন তিনি ক্ষমতায় ফিরলেই ফিরবে ‘দুয়ারে সরকার’। সেই কথা মতো রাজ্য জুড়ে আজ থেকেই শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় দফার ‘দুয়ারে সরকার’ প্রকল্প। তাতেই ফর্ম পাওয়া যাচ্ছে নয়া প্রকল্প লক্ষ্মীর ভান্ডারের। এই প্রকল্পে রাজ্যের শিশু সুরক্ষা ও পরিবার কল্যাণ দফতর মহিলাদের প্রত্যেক মাসে ৫০০ টাকা করে ও এসসি-এসটি দের ক্ষেত্রে ১০০০ টাকা করে দেওয়ার নির্দেশিকা জারি করেছে। তবে প্রকল্পের প্রেক্ষিতে শিশু সুরক্ষা ও পরিবার কল্যাণ দফতর। ২৫-৬০ বছরের রাজ্যের যে সব মহিলাদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে নাম নথিভূক্ত আছে তারাই পাবেন লক্ষ্মীর ভান্ডারের সুবিধা। সঙ্গে একাধিক নিয়মাবলীও আছে তাতে।

রাজ্যবাসীর কাছে এই ফর্ম জনপ্রিয়তা পেয়েছে তা জানিয়েছেন খোদ মমতা। আজ নবান্ন সভাঘর থেকে তিনি জানান, শুধুমাত্র লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদন হয়েছে ৩০ লক্ষের বেশি। কিছু খহেত্রে ব্যাঙ্ক সংযুক্তিকরণে অনুবিধে হচ্ছে স্বীকার করেছেন তাও। একই সঙ্গে ফর্ম নিতে গিয়ে বিপুল বিশৃঙ্খলার কথাও তুলে ধরেছেন ।
আমজনতাকে উদ্দেশ্যে করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “হুড়োহুড়ি করার কোনও প্রয়োজন নেই। এখনও অনেক দিন বাকি রয়েছে। তাই ধীরে সুস্থে আবেদন করুন সকলে। প্রত্যেকে প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।”সঙ্গেই যোগ করেন প্রয়োজনে ক্যাম্পের সংখ্যা বাড়ানো হবে, বাড়ানো হতে পারে শিবিরের সময়সীমাও।









