নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাঘছাল পড়া বিড়াল যতই চ্যাঁচাক, ওটা হালুম নয় ম্যাঁও-ই শোনায়; শুভেন্দু অধিকারীর কটাক্ষের জবাব দিলেন কুণাল ঘোষ। এদিন মমতা বন্দোপাধ্যায় কে চরম কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা। ভবানীপুরে বিজেপি-র আক্রমনের সুর বেঁধে স্লোগান তোলেন, “বেকারত্ব ঘরে ঘরে, পিসিমনি হারবে ভবানীপুরে!” পাশাপাশি নন্দীগ্রামে হারানোর খোঁচাও দেন শুভেন্দু।
আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রামে হারিয়েছি ভবানীপুরেও হারাব, মমতা-র বিরুদ্ধে আসরে নামলেন শুভেন্দু।
পূর্ব মেদিনীপুরের নিমতৌড়িতে এক রক্তদান শিবিরে যোগ দিয়ে তিনি চরম কটাক্ষ করেন শেখ সাজাহান কে। নাম না করে তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামের জাহাজ বাড়ির মালিক বলেছিলেন আমাকে ৮০ হাজার ভোটে হারাবেন। পায়ে ব্যান্ডেজ করে কত কান্ড করলেন, তাও আমি জিতেছি। চিন্তা করবেন না, নন্দীগ্রামে হারিয়েছি ভবানীপুরেও হারাব।”
এরই পরিপ্রেক্ষিতে কুণাল ঘোষ বলেন, বাঘছাল পড়া বিড়াল যতই চ্যাঁচাক, ওটা হালুম নয় ম্যাঁও-ই শোনায়! তৃণমূল মুখপাত্রের কথায়, “এসব অবান্তর কথা বলে লাভ আছে! ওঁর বোঝা উচিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২১৩টি আসনে জিতেছেন। আর কোথায় আলো নিভিয়ে কী করেছে সে তো কোর্টে ফয়সালা হবে।” এরপরেই তিনি বলে ওঠেন, “বাঘছাল পড়া বিড়াল যতই চ্যাঁচাক, ওটা হালুম হয় না, ওটা ম্যাঁও-ই শোনায়!”
এদিকে প্রিয়াঙ্কা কে সামনে রেখেই যে বিজেপি নিজেদের ১০০ শতাংশ শক্তি প্রয়োগ করবে ভবানীপুরে গতকাল তা স্পষ্ট করে দেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রার্থী কে পাশে বসিয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘হারা প্রার্থীর বিরুদ্ধে হেরে যাওয়া প্রার্থী দিয়েছি। এ নিয়ে আবার এত কথার কী আছে!’ আনকোরা প্রিয়াঙ্কা কি মমতা বন্দোপাধ্যায়কে লড়াই দিতে পারবেন? সেই প্রশ্নে বড় ইঙ্গিত দিয়ে দিলীপ বলেন, “১৯৮৪ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন লড়লেন, ওনাকে কে চিনতেন। উনি তো সোমনাথবাবুকে হারিয়েছিলেন। সেখান থেকেই তো আজকের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হয়েছেন।”
বাঘছাল পড়া বিড়াল যতই চ্যাঁচাক, ওটা হালুম নয় ম্যাঁও-ই শোনায়; শুভেন্দুকে কুণাল!




