নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মঙ্গলবার ফের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে আদালতে পেশ করা হয়। এদিন আদালতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন মহাসচিব। এদিন আদালতে নিজের শারীরিক অসুস্থতার কথা বলে জামিনের আবেদন জানান পার্থ। তিনি বলেন, আমার সামাজিক সম্মান নষ্ট হচ্ছে। আমি নির্যাতিত বোধ করছি।পার্থর কথার প্রেক্ষিতে সুর চড়ালেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।
এদিন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে কুণাল বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম আমার সামনে করবেন না। পার্থ চট্টোপাধ্যায় সংক্রান্ত কোনও প্রশ্নের উত্তর আমি দেবো না। যখন আমি জীবনে কোনদিন আমেরিকায় যাইনি। তখন আমার বিরুদ্ধে রটানো হয়েছিল, আমি আমেরিকায় গিয়ে এই করেছি, সেই করেছি। যখন আমি জেলে বন্দি, তখন এই পার্থ চট্টোপাধ্যায় আমার বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েছে, আমার মাথায় গণ্ডগোল। ওর নাম আমার সামনে করবেন না। বিরাট ক্ষিপ্ত সুরে বলে বসলেন, এসব নাটক করছেন। নটাঙ্কি।

এর আগে অবশ্য পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জেল হেফাজতের নির্দেশ নিয়েও সরব হয়েছিল কুণাল। জেলে ঢুকে দেখুন পার্থবাবু কেমন লাগে! একথা বলার পাশাপাশি জেলে যাতে না পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বাড়তি সুবিধে দেওয়া হয়, সেই দাবিও তোলেন তিনি। বাড়তি সুবিধে পেলে তিনি খবর পেয়ে যাবেন বলেও জানিয়েছিলেন কুণাল। একইসঙ্গে তাঁর বক্তব্য ছিল, আমার বিরুদ্ধে যারা চক্রান্ত করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে পার্থ চট্টোপাধ্যায় অন্যতম।
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম আমার সামনে করবেন না, ক্ষেপে লাল কুণাল

কুণালের মুখে পার্থকে নিয়ে এই ধরনের মন্তব্যের কারণে তাঁকে চুপ থাকার নির্দেশ দিয়েছিল দল। এখন অবশ্য সময় বদলেছে। নিয়োগ দুর্নীতিতে অন্যতম অভিযুক্ত পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ছাঁটাই করেছে তৃণমূল। এমনকি তাঁকে সমস্ত পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমত অবস্থায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে কুণালের এহেন মন্তব্য নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে।



