আরজি করের তরুণী চিকিৎসককে খুন এবং ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে স্বাধীনতা দিবসের আগের রাতে রাস্তায় নামতে চলেছে মেয়েরা। যাদবপুর, কলেজস্ট্রিট এবং অ্যাকাডেমি চত্বরে মূলত জমায়েত হবে। এই কর্মসূচিকে তীব্র ভাষায় কটাক্ষ করলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। তাঁর মতে, এই জমায়েত অরাজনৈতিক নয়। বরং সিপিআইএম এবং বিজেপির নাটক!
কুণাল বলেছেন, “রাত দখলের ডাক যারা দিয়েছেন কারা কোন দলের সদস্য? গোটা ভারতের সামনে বাংলাকে বদনাম করতে চাইছেন তাঁরা। এতে সিপিআইএম এবং বিজেপির মদত রয়েছে। কে বলেছে রাতে মহিলারা সেফ নয়? বাংলায় কি রাতে কোনও মহিলা কাজ করেন না? একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। সেটাকে কেন্দ্র করে রাজনীতি হচ্ছে। আমরা সেটার বিরোধিতা করছি। এই ঘটনাকে আমরা সমর্থন করি না। আমরাও প্রতিবাদ জানাই।”
সমাজমাধ্যমে কুণাল লিখেছেন, “বানতলায় ধর্ষিত ও খুন ডাঃ অনিতা দেওয়ানের বাড়ির সামনে থেকে ধর্ণা ও সভা, মিছিল করে আরজি কর ঘটনার নিন্দা ও আসল দোষীদের শাস্তি দাবি। বানতলায় স্থানীয় কয়েকজনকে ধরে আসল সিপিএম নেতা, কর্মীদের বাঁচানো হয়েছিল।
আমাদের সাফ কথা, আরজিকর ইস্যুতে প্রতিবাদ হবেই। ফাঁসি হোক দোষীদের। মুখ্যমন্ত্রী, অভিষেক কড়া অবস্থান নিয়েছেন। আমরা সবাই প্রতিবাদী। কিন্তু সিপিএম, বিজেপির চক্রান্ত করা রাজনৈতিক ইভেন্ট বরদাস্ত করব না। ওদের জমানার পরের পর অপকীর্তি মনে করাব।”
উল্লেখ্য, রাত দখলের এই অভিযানকে আবার সমর্থন করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভার সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়। প্রতিবাদ জানিয়েছেন, সাংসদ মহুয়া মৈত্রও। এদিকে, আরজি কর-কাণ্ডের তদন্তভার সিবিআই-এর হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। ধৃত সঞ্জয় রায়কে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছেন তাঁরা। তবে, আজ তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষা হয়নি।









