নজরবন্দি ব্যুরোঃ দেশজুড়ে প্রতিদিনই করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে রেকর্ড হারে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রিয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের যে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে তা নিয়ে উদ্বেগে এ রাজ্যের স্বাস্থ্য মহলও। কেন্দ্রের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘৩২ শতাংশ পজিটিভিটি রেট নিয়ে দেশে শীর্ষ স্থানে রয়েছে বাংলা। অ্যাক্টিভ কেসে দেশে দ্বিতীয় স্থানে বাংলা। জেলাভিত্তিক পজিটিভিটি রেটে ২ নম্বরে কলকাতা।
আরও পড়ুনঃ বিবেকানন্দের জন্মদিনে কম্বল বিতরণ, কোভিড বিধি না মানার অভিযোগ BJP-র বিরুদ্ধে
কলকাতায় প্রতি ১০০ টেস্টে আক্রান্ত ৬০ জন। মহানগরে এক সপ্তাহেই ৬৩ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন কোভিডে। কলকাতার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। দেশের আর যেসব শহর নিয়ে কেন্দ্রের উদ্বেগ রয়েছে তার মধ্যে রয়েছে মুম্বই, বেঙ্গালুরু আরবান, থানে, চেন্নাই এবং পুনে। এই শহরগুলিতে ক্রমেই বেড়ে চলেছে ওমিক্রন আক্রান্তদের মৃত্যু সংখ্যা।
যেসব রাজ্যে এই মুহূর্তে ওমিক্রন বাড়ছে তার মধ্যে প্রথমেই রয়েছে মহারাষ্ট্র, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। তার পরেই রয়েছে দিল্লি, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক, উত্তরপ্রদেশ, কেরল ও গুজরাট। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে সাপ্তাহিক পজিটিভিটি রেটে ৫ শতাংশের উপরে সংক্রমণ ঘটেছে দেশের ৩০০ টি জেলায়। ৫ শতাংশ পজিটিভিটি রেট কে বেঞ্চমার্ক হিসেবে ধরা হচ্ছে। ৫ শতাংশের উপরে পজিটিভিটি রেট হলেই সেই জেলায় রেড অ্যালার্ট জারি করতে হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।
কেন্দ্রের রেড অ্যালার্ট, কোভিডের ভরকেন্দ্র কলকাতা, পূর্ণ লকডাউন সময়ের অপেক্ষা!

সেক্ষেত্রে পুরোপুরি লকডাউন(Lockdown) জারি করার পক্ষে মত দিয়েছে কেন্দ্র। এখানেই উঠছে লকডাউনের প্রসঙ্গ। কারন সারা বাংলা জুড়ে এই মুহুর্তে পজিটিভিটি রেট ৩২, আর শুধু কলকাতাতেই ৬০!! অর্থাৎ প্রশাসন চাইলে যখন খুশি সম্পূর্ণ লকডাউন জারি করতে পারে। গতকাল রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণ ছিল ২১ হাজারের বেশি, মৃত্যু হয়েছিল ১৯ জনের। চিকিৎসকরা বলছেন কোভিডের ভরকেন্দ্র হয়ে উঠেছে কলকাতা।



