নজরবন্দি ব্যুরোঃ এই প্রথমবার কেকের মঞ্চে কাজ করার সুযোগ এসেছিল। সঞ্চালনার কেরিয়ারে যারা কাজ করেছেন তাঁদের জন্য এক দারুণ অভিজ্ঞতা। তাই আগে থেকে হাওড়ার বাসিন্দা সুদীপ্ত মিত্র ও শিল্পী মিত্রর উন্মাদনা ছিল চরমে। মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যে যে সমস্ত ঘটনা ঘটে গেছে, সেই ঘটনা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তকারা। এখন বলছেন এ সঞ্চালনা না করতে এলেই ভালো হত।
আরও পড়ুনঃ Argentina: বিশ্বকাপের শেষেই আর্জেন্টিনার জার্সি তুলে রাখবেন ডি’মারিয়া
গতকালের অনুষ্ঠান সম্পর্কে বলতে গিয়ে সুদীপ্ত মিত্র বলেন, প্রচণ্ড উন্মাদনা ছিল অনুষ্ঠান ঘিরে। হলে খুব ভিড়ও ছিল। ভিড়ের চাপেই এসি সেভাবে কাজ করছিল না।গান গাইতে গাইতেও বারবারই ঘাম মুছছিলেন কেকে। কোথায় যেন অস্বস্তি হচ্ছিল তাঁর। কিন্তু এই অস্বস্তি যে মৃত্যুর পূর্বাভাস, তা কি দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পেরেছিলেন কেউ! এমনকি এটা কেকে নিজেও বুঝতে পারেননি।
অনুষ্ঠান চলাকালীন উনি এক বারও মঞ্চের বাইরে যাননি। মঞ্চে এলইডি আলো জ্বলছিল। তাতে হলের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়েছিল। একটা সময় হলের যা ধারণ ক্ষমতা তার বাইরেও লোকজনকে ঢোকাতে বাধ্য হন উদ্যোক্তারা। আর মঞ্চে ওই রকম লাফালে যে কোনও মানুষের প্রচণ্ড গরম অনুভব হবে। স্যালাইন ওয়াটার খাচ্ছিলেন বার বার। মঞ্চেও খুব মজাও করছিলেন।
ওই অস্বস্তির মধ্যে একবারও বলেননি আর পারছেন না। শেষ গান শেষ করে, স্টেজ থেকে হাত নাড়তে নাড়তেই বেরিয়ে যান। তখন তাঁর বিধ্বস্ত ধরা পড়েছে। তবে অনুষ্ঠানের আগে গ্রিনরুমে অনেকক্ষণ কথা হয় কেকে-র সঙ্গে তাঁদের। সুদীপ্ত ও শিল্পীকে বসার জন্য নিজের হাতে চেয়ারও বাড়িয়ে দেন কেকে।
এ সঞ্চালনা না করতে হলেই ভালো হত, মানতে পারছেন না সঞ্চালকরা

সঞ্চালিকা শিল্পী মিত্র জানান, অনুষ্ঠান এবং কাজকর্ম নিয়েই তাঁদের মধ্যে কিছু কথা হয়। এর পরে গান গাওয়ার জন্য যখন কেকে স্টেজে ঢোকেন, তখন সেখানে প্রচুর লোকজন ছিল। তাদেরকে সরিয়ে দিয়ে কেকে নিজেই মিউজিসিয়ানদের জায়গা করে দেন। তার পরেই গান শুরু করেন।



