কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় কামদুনির নির্যাতিতার পরিবার ও প্রতিবাদীরা। মঙ্গলবার মামলার দ্বিতীয় শুনানিতে অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। সব পক্ষকে নোটিস পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একাধিক অভিযোগ কামদুনির প্রতিবাদীদের। এবার আবেদন নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করতে চান তাঁরা।



আরও পড়ুন: উত্তুরে হাওয়ার প্রভাবে পারদ নিম্নমুখী, বছরের শুরুতেই মুড সুইং আবহাওয়ার
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করার আর্জি জানিয়ে মন্ত্রকে চিঠি পাঠিয়েছে কামদুনির নির্যাতিতা পরিবার। সূত্রে খবর, বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দফতরে দেখা করার আর্জি জানিয়ে চিঠি দেবেন তাঁরা। এছাড়া কামদুনির প্রতিবাদীরা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হতে পারেন।



গত অক্টোবর মাসে কামদুনি ধর্ষণ ও খুনের মামলায় দুই আসামীর ফাঁসির সাজা রদ করা হয়, তাঁদের আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ। এছাড়া চারজনকে বেকসুর খালাস করে উচ্চ আদালত। এই রায় মেনে নিতে পারেনি কামদুনি। আদালত চত্বরে কান্নায় ভেঙে পড়ে দুই প্রতিবাদী মুখ মৌসুমী কয়াল ও টুম্পা কয়াল। এরপরই শীর্ষ আদালতে মামলা করে নির্যাতিতার ভাই। মৃত তরুণীর ভাই পৃথক এসএলপি করেন।
কামদুনির আবেদনে সাড়া দিল না সুপ্রিম কোর্ট, অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করতে চায় মৃতার পরিবার

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বি আর গাভাই এবং সন্দীপ মেহতার এজলাসে মামলার শুনানি হয়। রাজ্য ও মুক্তিপ্রাপ্তদের কাছ থেকে হলফনামা আকারে জবাব তলব করা হয়েছে। হলফনামার পরই পরবর্তী শুনানি হবে। গত শুনানিতেও সুপ্রিম কোর্ট কয়েকটি শর্ত আরোপ করে অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছিল। শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, বেকসুর খালাস হলেও মুক্তিপ্রাপ্তরা রাজারহাট এলাকার বাইরে যেতে পারবে না। প্রয়োজনে ওসির অনুমতি নিতে হবে। প্রতিমাসের প্রথম ও তৃতীয় সোমবার থানায় হাজিরা দিতে হবে। বর্তমান ঠিকানা, মোবাইল নম্বর থানায় নথিভুক্ত করতে হবে।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



