কামদুনিকাণ্ড গোটা রাজ্যে সাড়া ফেলে দিয়েছিল। কয়েক মাস আগেই এই মামলায় রায় দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। নিম্ন আদালতে ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের সাজা মকুব করে দেওয়া হয়। জেলাবস্থা থেকে রেহাই পান কয়েকজন। উচ্চ আদালতের রায়ে অসন্তুষ্ট কামদুনি। সুবিচারের দাবিতে দেশের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন নির্যাতিতার পরিবার ও প্রতিবাদীরা। আজ, মঙ্গলবার বছরের দ্বিতীয় দিনেই রয়েছে শুনানি (Kamduni Case hearing at Supreme Court)।



আরও পড়ুন: কলকাতায় কামব্যাক করবে শীত? বছরের প্রথম সপ্তাহে ৪ জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস
গত বছর অক্টোবর মাসে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) কামদুনি মামলার শেষ শুনানি হয়েছিল। মঙ্গলবার শুনানি হবে বিচারপতি বি আর গাভাই এবং সন্দীপ মেহতার এজলাসে। গত শুনানিতে হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ দেয়নি শীর্ষ আদালত। কামদুনি মামলায় শুনানি না করে সিদ্ধান্ত নিতে অস্বীকার করে সুপ্রিম কোর্ট। জানানো হয়েছিল, অভিযুক্তরা বেকসুর খালাস হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। তবে কোনও আদালত একবার মুক্তি দেওয়ার পর বিনা শুনানিতে সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ দিতে পারে না। এটি আইনসম্মত নয় বলেও উল্লেখ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট।

এছাড়াও, গত শুনানিতে কামদুনি মামলার (Kamduni Case) সবপক্ষ কে নিজেদের অবস্থান জানানোর নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। রাজ্য পুলিশকে নির্যাতিতার পরিবার ও কামদুনির প্রতিবাদীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার নির্দেশ দেয় জাতীয় মহিলা কমিশন।


সুপ্রিম কোর্টে ‘সুবিচার’ পাবে কামদুনি? আজ শুনানি শীর্ষ আদালতে

২০১৩ সালে উত্তর ২৪ পরগনায় কামদুনি এলাকায় এক তরুণীকে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় আটজনকে গ্রেফতার করা হয়। দশবছর পর গত অক্টোবর মাসে কলকাতা হাইকোর্ট দায়দান করে। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ দুই আসামীর ফাঁসির সাজা মকুব করে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। এমনকি কয়েকজনকে বেকসুর খালাস করা হয়। আদালতের রায়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন কামদুনিকাণ্ডের দুই প্রতিবাদী মুখ মৌসুমি কয়াল ও টুম্পা কয়াল। এরপরই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় তাঁরা।








