Supreme Court: কামদুনি মামলায় হাইকোর্টের রায়ে ‘সুপ্রিম’ স্থগিতাদেশ নেই, দোষীদের জন্য জারি বিধিনিষেধ

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: দশ বছর পর কামদুনি মামলায় রায় ঘোষণা হয়েছে। নিম্ন আদালতে ফাঁসির সাজা প্রাপ্ত আসামীদের সাজা মকুব করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। কয়েকজনকে দেওয়া হয়েছে আজীবন কারাদণ্ড ও কয়েকজনকে বেকসুর খালাস করেছে আদলত। হাইকোর্টের রায়ে অসন্তুষ্ট নির্যাতিতার পরিবার ও খোদ রাজ্য সরকার। সুবিচারের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে তারা। বৃহস্পতিবার সেই শুনানিতেই কামদুনির দোষীদের জন্য একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করল শীর্ষ আদালত।

আরও পড়ুন: ইন্ডিয়া জোটে প্রথম ধাক্কা! ভোটমুখী রাজ্যে সপাকে আসন ছাড়তে নারাজ Congress

কামদুনি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দেশের শীর্ষ আদালতে মামলা করেছিল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার বিচারপতি বিআর গভাই এবং বিচারপতি পিকে মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি ছিল। জানানো হয়, দোষীদের মুক্তি দিলেও তাঁদের বেশকিছু শর্ত মেনে চলতে হবে। দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানায়,
১. মুক্তিপ্রাপ্তরা রাজারহাট থানার অনুমতি ছাড়া কোথাও যেতে পারবে না।
২. প্রত্যেকের মোবাইল নম্বর থানায় জমা দিতে হবে। মোবাইল তথ্যও থানায় জানাতে হবে।
৩. হাইকোর্টের নির্দেশে মুক্তিপ্রাপ্তদের প্রতি সোমবার ও শুক্রবার থানায় হাজিরা দিতে হবে।
৪. কারও কাছে পাসপোর্ট থাকলে তা পুলিশের কাছে জমা দিতে হবে।
৫. নিজেদের বাড়ির ঠিকানা, থাকার জায়গার ঠিকানা পুলিশকে জানাতে হবে। এমনকি থাকার জায়গার ঠিকানার কোনও বদল হলে, সেই বদলের কথাও জানাতে হবে পুলিশকে।
৬. অভিযুক্ত চারজন কোথাও গেলে যাওয়ার ৪৮ ঘণ্টা আগে পুলিশকে যাবতীয় তথ্য দিতে হবে।
৭. কামদুনির নির্যাতিতার পরিবারের কারও সঙ্গে দেখা করা যাবে না।

কামদুনি মামলায় হাইকোর্টের রায়ে 'সুপ্রিম' স্থগিতাদেশ নেই, দোষীদের জন্য জারি বিধিনিষেধ

চলতি মাসের শুরুতেই গত ৬ তারিখ কামদুনি মামলায় রায় ঘোষণা করে কলকাতা হাইকোর্ট। নিম্ন আদালতে যাদের ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়েছিল তাঁদের মধ্যেই তিনজনকে বেকসুর খালাস করা হয়। বাকি দুজনের সাজা কমিয়ে আজীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি আরও তিন দোষী সাব্যস্তের সাজা মকুব করে হাই কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ। হাইকোর্টের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার।

কামদুনি মামলায় হাইকোর্টের রায়ে 'সুপ্রিম' স্থগিতাদেশ নেই, দোষীদের জন্য জারি বিধিনিষেধ

২০১৩ সালের ৭ জুন উত্তর ২৪ পরগনায় কামদুনি এলাকায় এক কলেজ ছাত্রীকে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় আটজনকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তভার নেয় সিআইডি। দোষীদের মধ্যে সইফুল আলি, আনসার আলি, আমিন আলিকে ফাঁসির সাজা দেয় নিম্ন আদালত। ইমানুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম এবং ভোলানাথ নস্করকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তবে কলকাতা হাইকোর্ট সাইফুল ও আনসারকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়ে বাকিদের সাজা মকুব করে।

কামদুনি মামলায় হাইকোর্টের রায়ে ‘সুপ্রিম’ স্থগিতাদেশ নেই, দোষীদের জন্য জারি বিধিনিষেধ

কামদুনি মামলায় হাইকোর্টের রায়ে 'সুপ্রিম' স্থগিতাদেশ নেই, দোষীদের জন্য জারি বিধিনিষেধ
কামদুনি মামলায় হাইকোর্টের রায়ে ‘সুপ্রিম’ স্থগিতাদেশ নেই, দোষীদের জন্য জারি বিধিনিষেধ

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

সদ্য প্রকাশিত

এই ক্যাটেগরির আরও খবর