নজরবন্দি ব্যুরো: কামদুনি গণধর্ষণ ও খুনের মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের রায় গোটা রাজ্যে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। নিম্ন আদালতে ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের সাজা মকুব করা হয়েছে। বেকসুর খালাস হয়েছে কয়েকজন। তাদের মধ্যেই চারজনের জেলমুক্তি হয়েছে। এই ঘটনায় আতঙ্ক প্রকাশ করে জাতীয় মহিলা কমিশনের কাছে স্মারকলিপি জমা দিলেন টুম্পা কয়াল, মৌসুমি কয়াল।
আরও পড়ুন: সুকান্ত-গড়ে রাম মন্দির! পুজোয় বড় চমক রাজ্য গেরুয়া চিফের, প্রস্তুতি তুঙ্গে


বুধবার দিল্লি রওনা দিয়েছিলেন কামদুনিকাণ্ডের অন্যতম দুই প্রতিবাদী টুম্পা ও মৌসুমি। বৃহস্পতিবার জাতীয় মহিলা কমিশনের কাছে তাঁরা স্মারকলিপি জমা দেন। স্মারকলিপিতে তাঁরা উল্লেখ করেন, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ কামদুনি ধর্ষণকাণ্ডে চারজন জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন। স্থানীয়রা আতঙ্কিত। তাঁদের লাগাতার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি এই ঘটনায় রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবাদীরা কামদুনির বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার জন্য একটি প্রতিনিধি দল পাঠানোর আবেদন জানিয়েছে কমিশনের কাছে।

এদিন টুম্পা ও মৌসুমির সঙ্গে ছিলেন বঙ্গ বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। স্মারকলিপিতে কামদুনির ঘটনা নিয়েও উল্লেখ করা হয়, ২০১৩ সালের ৭ জুন ২০ বছরের এক কলেজ ছাত্রী তরুণীকে অপহরণ করেন কয়েকজন। তাঁকে নিকটবর্তী একটি কারখানায় নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয়। গলা কাটা, বিকৃত অবস্থায় তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ২০১৬ সালে নিম্ন আদালত ৩ অপরাধীকে মৃত্যুদণ্ড এবং আরও ৩ জনকে ফাঁসির সাজা দেয়।



প্রতিবাদীরা আরও জানিয়েছেন, হাইকোর্টের রায় তাঁরা সন্তুষ্ট নন। এই রায়ের বিরুদ্ধে দেশের শীর্ষ আদালতে যাবেন। টুম্পা ও মৌসুমিদের কথায়, তাই তাঁরা তাঁদের মতো উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। সুবিচারের আশায় দিল্লির নির্ভয়াকাণ্ডের আইনজীবীকেও পাশে চেয়েছেন তাঁরা।
কামদুনিকাণ্ডে জাতীয় মহিলা কমিশনের দ্বারস্থ টুম্পা-মৌসুমি, রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ!









