নজরবন্দি ব্যুরো: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকু শারীরিকভাবে অসুস্থ। বাইপাস সার্জারি হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। কিন্তু নিজের পছন্দের হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে জামিনের আবেদন করেছিলেন কলকাতা হাইকোর্টে। শুনানি এখনও বাকি, এরইমধ্যে সার্জারির জন্য তাঁকে এসএসকেএম-এর কার্ডিওলজি বিভাগ থেকে স্থানান্তরিত করা হয়।
আরও পড়ুন: Kalighater Kaku-র বাইপাস সার্জারির প্রস্তুতি, এখনও বাকি জামিনের আবেদনের শুনানি


গত কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ সুজয়কৃষ্ণ। জানা গিয়ছিল, কালীঘাটের কাকুর আর্টারিতে ব্লকেজ রয়েছে। ট্রিপল ভেসেল ডিজিতে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। এসএসকেএমের আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন তিনি। চিকিৎসকদের তরফে বাইপাস সার্জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু ইডির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে আদালতের দ্বারস্থ হন কালীঘাটের কাকু। পছন্দের হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না, এই অভিযোগে জামিনের আবেদন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে যান তিনি। আগামী সপ্তাহে মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। এরইমধ্যে তাঁকে কার্ডিওলজি বিভাগ থেকে সিটিভিএসে স্থানান্তরিত করা হয়। তাঁর সার্জারির প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে।

গত জুন মাসে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন সুজয় কৃষ্ণের স্ত্রী বানী ভদ্র। জামিনের আবেদন নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন ধৃত। কিন্তু জামিন না পেলেও প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। গত ১৬ জুলাই প্যারোলের মেয়াদ শেষ করে ১৭ তারিখ সংশোধনাগারে ফেরার কথা ছিল তাঁর। সেখান থেকে ফিরেই শারীরিক অসুস্থতা বোধ করেন। সেই সময়ে কালীঘাটের কাকুর বুকে পেসমেকার বসানো হয়েছিল। বুকে ব্যথার উপসর্গ নিয়ে গত সোমবার হাসপাতালে যান তিনি।



গত শুক্রবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত কালীঘাটের কাকুর বিরুদ্ধে ৭৬০০ পাতার চার্জশিট পেশ করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইডি। তদন্তকারী আধিকারিকরা আগেই আদালতে জানিয়েছিল, সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকু চারটি সংস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করতেন। এছাড়া নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষের সঙ্গে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সেতুবন্ধনের কাজটিও কাকু করতেন বলে কেন্দ্রীয় এজেন্সি জানিয়েছে। প্রাথমিক পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের সাথেও তাঁর যোগাযোগ ছিল।
Kalighater Kaku-র বাইপাস সার্জারির প্রস্তুতি, এখনও বাকি জামিনের আবেদনের শুনানি








