নজরবন্দি ব্যুরো: বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করতে পারেন সৌমিত্র খাঁ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা শোনা গিয়েছিল তাঁর মুখে।গোপনে দুজনের বৈঠক হয়েছিল বলেও খবর উঠেছিল। এরপর থেকেই জল্পনা আরও জোরালো হয়। অবশেষে এই সমস্ত জল্পনা নিজেই ওড়ালেন বিজেপি সাংসদ। বিভিন্ন সম্ভাবনা খারিজ করে গেরুয়া শিবিরে থাকছেন বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন সৌমিত্র। এদিকে তাঁকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী সুজাতা মণ্ডল।
আরও পড়ুন: বাম ছাত্র সংগঠনে রদবদলের সম্ভাবনা, কাদের নিয়ে ভাবনা আলিমুদ্দিনের?
বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ বলেন, “২০১৯ সালে বিজেপিতে যোগদানের পর থেকেই মাঝে মাঝে রটে যায় সৌমিত্র খাঁ অন্য দলে চলে যাচ্ছেন। এসবই ভ্রান্ত ধারণা। আমি দলের হয়ে কাজ করে যাচ্ছি।” আগামী বছর লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে প্রস্তুতি শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলি। ২৪-এর ভোটে বঙ্গ বিজেপির ফলাফল নিয়ে তিনি জানান, “বাংলায় ৩৫ টি আসনের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে। এগুলির মধ্যে ২২ টির বেশি আসনে বিজেপি জয়লাভ করবে।” এই প্রসঙ্গেই প্রাক্তন স্বামীর আশাবাদী মন্তব্যের পাল্টা কটাক্ষ করেন সুজাতা মণ্ডল, তিনি তৃণমূলের বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সদস্যাও বটে।

সুজাতা বলেন, “বিজেপির অনেকেই পদ হারাচ্ছেন। কে টিকিট পাবেন, কে পাবেন না তা নিয়ে দোলাচলে রয়েছেন। তাই তাঁরা তৃণমূলে আসার চেষ্টা করছেন। কিন্তু তাঁদের মত আবর্জনাদের জায়গা তৃণমূলে হবে না।” আরও বলেন, “অমিত শাহ বলছেন ৩৫ টি আসন পাবেন। সৌমিত্র খাঁ ২২ টি আসন পাবেন। আগে তাঁরা ঠিক করুন কতগুলি আসন তাঁরা পাবেন।”

উল্লেখ্য, সংসদের বাদল অধিবেশনে যোগ দিতে দিল্লি গিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই তৃণমূলের সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র ও অপরূপা পোদ্দারের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ আলাপচারিতায় মগ্ন থাকতে দেখা গিয়েছে সৌমিত্র খাঁকে। কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি সৌমিত্র বলে দেন, অভিষেক ভালোভাবে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
অভিষেকের সঙ্গে বৈঠক, ‘ঘরওয়াপসি’ সৌমিত্রর? নিজেই স্পষ্ট করলেন BJP সাংসদ




