শনিবার থেকেই আবহাওয়ার দ্বৈত চেহারা স্পষ্ট—একদিকে কালবৈশাখীর আশঙ্কা, অন্যদিকে চরম গরম ও অস্বস্তি। কোলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশে আজ থেকে বিক্ষিপ্ত ঝড়বৃষ্টি শুরু হতে পারে, তবে পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির ঘর ছুঁতে পারে বলে সতর্কবার্তা জারি হয়েছে। ফলে স্বস্তি ও অস্বস্তির এই টানাপোড়েনই নির্ধারণ করবে উইকেন্ডের আবহাওয়ার চরিত্র।
আজ উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার-এ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।


তবে বৃষ্টির মাঝেও গরমের দাপট কমছে না। বিশেষ করে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম ও পশ্চিম বর্ধমানের কিছু অংশে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি বা তার বেশি হতে পারে। সকাল থেকে তীব্র রোদ আর ঘামঝরা অস্বস্তি, বিকেলের দিকে কোথাও কোথাও বজ্রসহ বৃষ্টি—এই দ্বৈত পরিস্থিতিই তৈরি করছে ভ্যাপসা আবহাওয়া।
দক্ষিণ বঙ্গে-এ এই গরম ও অস্বস্তি রবিবার পর্যন্ত বজায় থাকবে। তবে ২৬ এপ্রিল থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে, যা কিছুটা স্বস্তি দেবে। আবহাওয়াবিদদের মতে, রবিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত কালবৈশাখীর দাপট বাড়বে—বিশেষ করে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি।
এই সময় ঝোড়ো হাওয়ার গতিবেগ ৫০ কিলোমিটার বা তার বেশি হতে পারে। কোলকাতা-সহ আশপাশের এলাকাতেও ৩০-৪০ কিলোমিটার গতিতে ঝড়ের সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার-মঙ্গলবার ঝড়ের তীব্রতা বেশি থাকলেও আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়বৃষ্টি চলবে।









