বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের রাজনীতিতে যোগদানকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে শোরগোল। পূর্ব প্রতিশ্রুতি মতোই, মঙ্গলবার বিচারপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন তিনি। ডাকযোগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে পাঠিয়েছেন ইস্তফাপত্র। সূত্রের খবর, বিজেপিতে যোগ দেবেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তমলুক থেকে তাঁকে আসন্ন লোকসভায় প্রার্থী করতে পারে গেরুয়া দল।
আগামী ৬ মার্চ ফের একবার রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সভা করবেন বারাসাতে। সেই সভা থেকেই মোদীর হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেবেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, এমনটাই খবর সূত্রের। মঙ্গলবার ইস্তফা দেবার পর কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। দুপুর দেড়টায় হাই কোর্টের মাস্টারদা সূর্য সেনের মূর্তির পাদদেশ থেকে আগামীর সমস্ত পরিকল্পনা জানাবেন বলে জানিয়েছেন অভিজিৎ।

রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বারংবার সরব হয়েছেন বিচারপতি থাকাকালীন। তৃণমূলের তরফেও বারবার তাঁকে চ্যালেঞ্জ জানানো হয় রাজনীতিতে আসার জন্য। সেই চ্যালেঞ্জকেই গ্রহণ করে ‘বৃহত্তর’ ক্ষেত্রে আসতে চলেছেন অভিজিৎ। নামবেন রাজনীতিতে। দল হিসাবে সম্ভবত বিজেপিকেই বেছে নেবেন। লোকসভাতে তাঁকে টিকিটও দেবে গেরুয়া দল।

রাজনীতির দিকে আরও এক ধাপ, ইস্তফা দিলেন অভিজিৎ, মোদীর হাত ধরে কবে যোগ বিজেপিতে?
যদিও তৃণমূলের তরফে বলা হয়েছে, বিচারপতি অবস্থায় পক্ষপাতদুষ্ট রায় দিয়েছেন অভিজিৎ। নিয়োগ মামলায় তাঁর একের পর এক রায় মানুষের মন জিতে নিয়েছে। সমাজেরেই দুর্নীতিকে দূর করতেই রাজনীতিতে নামবেন তিনি। এখন, অভিজিতের রাজনৈতিক কেরিয়ার কীভাবে শুরু হয় এদিকেই নজর রয়েছে প্রত্যেকের।
সদ্য প্রকাশিত
পুলিশ ইনস্পেক্টরকে ধাক্কা, কলার ধরে শাসানি বিজেপি বিধায়ক রেখা পাত্রর! মারাত্মক অভিযোগ
গ্রেফতারি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি বাংলার ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েলের, হাইকোর্টকে দ্রুত শুনানির নির্দেশ




