নজরবন্দি ব্যুরো: যাদবপুরকাণ্ড নিয়ে এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করার আবেদন জানানো হয়। ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। বিশ্ববিদ্যালয়ে মাও-যোগ রয়েছে, এই অভিযোগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-কে তদন্তভার দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।
আরও পড়ুন: আগামী সপ্তাহে রাজ্যে UGC, বিস্তর অভিযোগ যাদবপুর কর্তৃপক্ষের বিরূদ্ধে!


শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী বিশ্ববিদ্যালয়ে মাওবাদী কার্যকলাপের অভিযোগ একই সঙ্গে ‘আজাদি’ স্লোগানের বিরুদ্ধে আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন। বিজেপি নেতার দাবি, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনায় ইউএপিএ ধারা যুক্ত করা এবং এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হোক। পাশাপাশি হস্টেল ক্যাম্পাসে সেন্ট্রাল ফোর্স মোতায়েনের দাবিও করা হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবীর বক্তব্য, “ইউএপিএ আইন অনুযায়ী, মাওবাদী সংগঠন নিষিদ্ধ। তা সত্ত্বেও যাদবপুরের মতো প্রতিষ্ঠানে এই অতিবাম সংগঠনগুলো কীভাবে সক্রিয় থাকতে পারে? তাই ছাত্র খুনের ঘটনায় ইউএপিএ ধারা যুক্ত করে এনআইএ তদন্ত হওয়া জরুরি।”

ক্যাম্পাসে সেন্ট্রাল ফোর্স মোতায়েন করার প্রসঙ্গে নন্দীগ্রাম বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী আদালতে জানান, “২০২২ সালে নদিয়া জেলা থেকে কিছু মাওবাদী গ্রেফতার হয়েছিলেন। তাঁরা যাদবপুরের ছাত্র ছিলেন। যে ছাত্রটির মৃত্যু হয়েছে তারও বাড়ি নদিয়ায়। ছেলেটি কিছু জানতে পেরেছিল বলেই তাকে হত্যা করা হল কী না, সেটা জানা জরুরি। যেহেতু যাদবপুরে মাওবাদীদের মতো নিষিদ্ধ সংগঠন সক্রিয় তাই জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এনআইএ তদন্ত চাইছি।’



উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার রহস্যজনকভাবে মৃত্যুর প্রতিবাদে ৮বি বাসস্ট্যান্ডে যুব মোর্চার অবস্থানে অংশ নেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই আরএসএফের বিরুদ্ধে তাঁকে কালো পতাকা দেখানোর অভিযোগ ওঠে। বিরোধী দলেনেতার অভিযোগ, সভামঞ্চ ছাড়ার সময় কয়েকজন তাঁর উপর হামলা চালায়। তাঁকে শারীরিক হেনস্থা করা হয়েছে। এই অভিযোগে যাদবপুর থানায় একটি এফআইআর দায়ের করেছেন তিনি।
যাদবপুরে মাওবাদী কার্যকলাপের অভিযোগ, হাইকোর্টের দ্বারস্থ Suvendu Adhikari








