JU Student Death: ছাত্রমৃত্যুতে অরিত্রর ভূমিকা কী? গভীর রাত পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ আলুকে

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় এখনও পর্যন্ত প্রাক্তনী ও পড়ুয়া মিলিয়ে ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবে নাম জড়িয়েছে যাদবপুরে গবেষণারত ছাত্রনেতা অরিত্র মজুমদার ওরফে আলুর। ছাত্রমৃত্যুর পর থেকেই ‘নিখোঁজ’ ছিলেন তিনি। ফলে সন্দেহ আরও দৃঢ় হচ্ছিল। তবে মঙ্গলবার ফেসবুক পোস্ট করে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। এরপরই গতকাল সন্ধ্যেয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের সামনে হাজিরা দেন।

আরও পড়ুন: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র মৃত্যু নিয়ে মমতার মন্তব্যের পাল্টা দিলেন সেলিম

গত ৯ আগস্ট যাদবপুরের মেন হস্টেলের তিন তলার বারান্দা থেকে পড়ে মৃত্যু হয় প্রথম বর্ষের বাংলা বিভাগের পড়ুয়ার। র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ সামনে আসে। পুলিশ তদন্ত শুরু করলে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে। এসবের মাঝেই কথা ওঠে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টে গবেষণারত অরিত্র মজুমদার ওরফে আলু র‍্যাগিংয়ের সঙ্গে যুক্ত। পড়ুয়ার মৃত্যুর পর তাঁর উপস্থিতিতেই প্রমাণ লোপাট করা হয়েছে। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। অবশেষে ১১ দিন পর গত ২২ আগস্ট নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে একটি দীর্ঘ পোস্ট করেন অরিত্র। তিনি দাবি করেন, ঘটনার দিন অর্থাৎ ৯ তারিখ তিনি হস্টেলে যাননি এবং ১০ আগস্ট কাশ্মীরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। প্রমাণস্বরূপ বিমানের টিকিট শেয়ার করে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন।

ছাত্রমৃত্যুতে অরিত্রর ভূমিকা কী? গভীর রাত পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ আলুকে

যদিও এরপরও বিতর্ক থামেনি, বরং আরও জোরালো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশের দাবি, অরিত্র যে বিমানের টিকিটের ছবি নিজের পোস্টে দেখিয়েছে সেটি বাতিল হয়েছিল এবং ১১ আগস্ট রেজিস্টারে তাঁর সই রয়েছে। ১০ আগস্ট যদি অরিত্র কলকাতায় না থাকেন তবে ১১ তারিখ কে সই করল? এমন অনেক প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে। এর উত্তরে আলুর দাবি, বিমান বাতিল থাকায় বিকল্প পথে গিয়েছিলেন। তার প্রমাণস্বরূপ কিছু নথি ফেসবুকে প্রকাশ্যে এনেছেন তিনি। দ্বিতীয় ফেসবুক পোস্টের ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘এত ডিটেইল কথা হবে ভাবিনি…।’

ছাত্রমৃত্যুতে অরিত্রর ভূমিকা কী? গভীর রাত পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ আলুকে

অরিত্র নিজের প্রথম ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছিলেন, “যে-কোনও তদন্তের মুখোমুখি হতে আমি রাজি। বাঁশদ্রোণীতে আমার ফ্ল‍্যাটেই আমাকে পাওয়া যাবে।” গতকাল রাতেই যাদবপুর থানায় হাজিরা দেন তিনি। আলু ছাড়াও তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া রুদ্র চট্টোপাধ্যায় এবং এক প্রাক্তন ছাত্র সায়নদীপ দাঁকেও গতকাল জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়। এই দুজনকে ছেড়ে দেওয়া হলেও অরিত্রকে গভীর রাত পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপর তাঁকেও থানার বাইরে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, তদন্তের স্বার্থে আলুকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।

ছাত্রমৃত্যুতে অরিত্রর ভূমিকা কী? গভীর রাত পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ আলুকে

ছাত্রমৃত্যুতে অরিত্রর ভূমিকা কী? গভীর রাত পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ আলুকে
ছাত্রমৃত্যুতে অরিত্রর ভূমিকা কী? গভীর রাত পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ আলুকে

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর