নজরবন্দি ব্যুরো: পাঁচতারা হোটেলে বিজেপির বৈঠক, বাড়ল আরও জল্পনা। ‘বিজেপিতে যাওয়ার প্রশ্ন ওঠেই না’ বারবার মন্তব্য করলেও নিজেই যেন যোগদানের জল্পনার আগুনে ঘি ঢাললেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। আসন্ন একুশের নির্বাচনকে পাখির চোখ করে দেখছে সমস্ত রাজনৈতিক দল। সেইমতোই বিজেপির পক্ষ থেকে এক দলীয় বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল কলকাতায় বাইপাসের ধারে একটটি পাঁচতারা হেটেলে।
আরও পড়ুন: দেশজুড়ে ১৩৬তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করছে কংগ্রেস, নেই রাহুল গান্ধী, উঠল তিব্র নিন্দার ঝড়


যদিও সবই ঠিক ছিল, কিন্তু জল্পনা শুরু হল ওই হোটেলে আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারির উপস্থিতি নিয়ে। সূত্রের খবর,
দলের পরবর্তী পদক্ষেপ, কর্মীদের কাজকর্ম আরও নানা বিষয় নিয়ে এদিন কলকাতায় বাইপাসের ধারে একটটি পাঁচতারা হেটেলে বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল বিজেপির পক্ষ থেকে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায় সহ বেশ কয়েকজন বিজেপির হেভিওয়েট নেতৃত্ব। কিন্তু সেই একই হোটেলে স্ত্রী এবং মেয়েকে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। আর তাতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। আবারও জল্পনা শুরু হয়ে রাজনৈতিক মহলে।
প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই প্রাক্তন তৃণমূল নেতা শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করার সময় আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারিও তৃণমূলের বিরুদ্ধে রীতিমতো সুর চড়িয়ে বিজেপিতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু তাঁকে নিয়ে বিজেপির দলীয় সদস্যদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হওয়ায় তাঁকে জায়গা দেয়নি বিজেপি। ফলে ফিরে যান নিজের পুরনো দল তৃণমূলে। সেইসঙ্গে এও জানান যে তিনি বিজেপিতে কোনওভাবেই যাবেন না।
একই হোটেলে বিজেপির মিটিং এবং সপরিবারে জিতেন্দ্র তিওয়ারির উপস্থিতি ঘিরে দানা বেধেছিল নানা জল্পনার। কিন্তু সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে জিতেন্দ্র তিওয়ারি জানান, ‘বেশ কয়েকদিন আমি টেনশনের মধ্যে ছিলাম। অভিষেকের সঙ্গে কথা হয়েছে, আমার ভুল স্বীকার করে নিয়েছি। এবার কাজ শুরু করব। তাই এখানে স্ত্রী এবং মেয়েকে নিয়ে খেতে এসেছিলাম। তবে এখানে বিজেপির বৈঠক নিয়ে আমি কিছু জানিও না আর আমার কিছু বলার নেই’।


পাঁচতারা হোটেলে বিজেপির বৈঠক, যদিও ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে এটা নিছকই কাকতালীয় ঘটনা না নাকি পূর্ব পরিকল্পিত? হয়তো সময়ই এর উত্তর দেবে।







