রিলায়েন্স জিও তাদের ৫জি পরিষেবা দিয়ে ভারতজুড়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা বদলে দিয়েছে। তবে শুধু দ্রুত ইন্টারনেট নয়, জিওর দাবি, তাদের ‘ট্রু ৫জি’ নেটওয়ার্ক স্মার্টফোনের ব্যাটারির কর্মক্ষমতা ২০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে সক্ষম। এটি কেবল একটি উন্নত নেটওয়ার্ক নয়, বরং ব্যবহারকারীদের ডিভাইসের দীর্ঘস্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
জিওর ৫জি পরিষেবায় এমন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে যা স্মার্টফোনের ব্যাটারির শক্তি সাশ্রয় করতে বিশেষভাবে সহায়ক।


- ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড পরিবর্তন:
- ইউজারের প্রয়োজন অনুযায়ী নেটওয়ার্কটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে লো, মিড, এবং হাই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে পরিবর্তিত হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের সময় লো ব্যান্ড ব্যবহার হয়, যা কম ব্যাটারি খরচ করে।
- জিপিএস শক্তি সাশ্রয়:
- জিপিএস ব্যবহারের সময় ব্যাটারির শক্তি দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার সমস্যাও মেটাবে জিওর ৫জি।
- স্মার্ট ডেটা স্পিড ব্যবস্থাপনা:
- প্রয়োজন অনুসারে সর্বোচ্চ স্পিড সরবরাহ করে, যা ব্যাটারির অপ্রয়োজনীয় শক্তি অপচয় রোধ করে।
কেন জিওর ৫জি ব্যাটারি বাঁচাতে সক্ষম?
জিওর ‘ট্রু ৫জি’ নেটওয়ার্কে নন-স্ট্যান্ড অ্যালোন অ্যাক্সেস প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রযুক্তি শুধুমাত্র দ্রুত ইন্টারনেট পরিষেবাই নয়, ব্যাটারির সাশ্রয়ের দিকেও লক্ষ্য রাখে। এ কারণে ইউজারদের দীর্ঘস্থায়ী স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা প্রদান সম্ভব।
- জিওর ৫জি পরিষেবা স্মার্টফোনের ব্যাটারি খরচ কমাতে যে বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে, তা ভারতী এয়ারটেলের মতো অন্যান্য পরিষেবা প্রদানকারীর থেকেও এগিয়ে।
- এই পরিষেবা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় উন্নত অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
- উন্নত নেটওয়ার্ক স্টেবিলিটি।
- দ্রুত ইন্টারনেট স্পিড।
- ব্যাটারির আয়ু ২০-৪০% পর্যন্ত বৃদ্ধি।
- জিপিএস ব্যবহারে কম ব্যাটারি খরচ।








