নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রসার ভারতী থেকে সংসদ কক্ষ, প্রাক্তন সিইও থেকে এবার লড়াই তৃণমূলের রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়া। আর এই লড়াইয়ের প্রথম পদক্ষেপ আজ। সূত্রের খবর আজই বিধানসভার সচিবের ঘরে গিয়ে নিজের মনোনয়ন জমা দেবেন জহর সরকার।
আরও পড়ুনঃ কেন্দ্র আড়ি পাতছে! মমতার নিদানে একসঙ্গে ৫ স্মার্ট ফোন ত্যাগ জ্যোতিপ্রিয়র


রাজ্যসভায় তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদির আসনে কে বসবেন সেই নিয়ে কাণাঘুষো ছিল বিস্তর। কে যাবেন? কাকে ভরসা করে দিল্লির ব্যাটন তুলে দেবেন মমতা সেই নিয়ে একে একে নাম উঠে আসছিল অনেকের। শোভনদেব থেকে মুকুল রায়, যশবন্ত সিনহা…তবে সকলকে দৌড়ে পিছনে ফেলে আজ মনোনয়ন জমা দিতে যাচ্ছেন প্রাক্তন আমলা জহর সরকার।
দিন কয়েক আগেই তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছিল, এবার দীনেশের জায়গায় ৯ তারিখের ভোটের মুখ জহর। ৪২ বছর ধরে পাবলিক সার্ভিসে নিয়োজিত ছিলেন তিনি, আর এবার রাজ্যসভায় সেই অভিজ্ঞতাকেই কাজে লাগাবে মমতা সরকার।
প্রসার ভারতী থেকে সংসদ কক্ষ, মোদি বিরোধী জহর সুর চড়াবেন মমতার হয়ে!

প্রাক্তন আমলার সঙ্গে বরাবর সুসম্পর্ক ঘাসফুল শিবিরের। আলাপন ইস্যুতেও কেন্দ্রের বিপক্ষে গিয়ে রাজ্যের পক্ষে সুর চড়িয়েছিলেন তিনি। কেন্দ্রের প্রতিবাদে এর আগেই প্রসার ভারতীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। সংসদের বাইরের এই প্রতিবাদের পর এবার তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে সংসদের ভেতরে সুর চড়াবেন তিনি। সেই কারণেই মমতার এক ফোনেই রাজি হয়ে গিয়েছিলেন প্রাক্তন আমলা।



জহরের নাম মনোনীত হওয়ার পরেই কুণাল ঘোষ ট্যুইট করেছিলেন, ‘রাজ্যসভায় যাচ্ছেন জহর সরকার। একজন কৃতী ছাত্র, দেশের সর্বোচ্চ মহলে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করা অন্যতম সেরা ও অভিজ্ঞ আমলা, একজন রুচিশীল, অসাধারণ জ্ঞানী, সুপটু লেখক ও বাগ্মীকে মনোনয়ন দিল তৃণমূল। দিল্লিতে স্পষ্ট হচ্ছে আগামী বিকল্পের পদধ্বনি।’ এদিকে ডেরেক’ও ব্রায়েন লিখেছেন, “জহর দা, তাড়াতাড়ি দিল্লি চলো এসো৷ খেলা হবে।” এবার সংসদ কক্ষে সুর চড়াতে, খেলা ঘোরাতে আজ মনোনয়ন জমা দিতে যাচ্ছেন জহর সরকার।







