রণকৌশল নির্ধারণের বৈঠকে ধুন্ধুমার, প্রকাশ্যে জলপাইগুড়ি তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়িঃ পুরসভা নির্বাচনে কী হবে দলের রণনীতি? তা নিয়ে বৈঠকে বসে জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। বৈঠক চলাকালীন প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল। রণকৌশল নির্ধারণের বৈঠকে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। শেষ অবধি মাইক হাতে আসরে নামতে হয় জেলা সভাপতি মহুয়া গোপকে।

আরও পড়ুনঃ ক্ষোভ প্রশমনে বঙ্গ বিজেপির গুরত্বপূর্ণ বৈঠক, থাকছেন কেন্দ্রের নেতারাও

কলকাতা হাইকোর্টকে দেওয়া হলফনামায় নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে ২৭ ফেব্রুয়ারি রয়েছে জলপাইগুড়ি পুরসভার নির্বাচন। পুরভোটের রণকৌশল ঠিক করতে রবিবার জেলা কোর কমিটির ডাকে জেলা কার্যালয়ে নেতা ও কর্মীদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন জেলা সভাপতি মহুয়া গোপ ও জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান খগেশ্বর রায়৷

বৈঠক চলাকালীন মহিলা নেত্রী যুথিকা রায় বাসুনিয়া মাইকে বলতে উঠেই দলের যুব সভাপতিকে আক্রমণ করতে শুরু করেন৷ এতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুই পক্ষের বাদানুবাদে ধুন্ধুমার বৈঠক পর্ব। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে যুথিকা রায়ের হাত থেকে মাইক নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন জেলা সভাপতি মহুয়া গোপ। যদিও বৈঠক শেষে যুথিকা রায় বাসুনিয়া জানিয়েছেন, কিছুই হয়নি। এটা সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীন বিষয়।

অন্যদিকে, দলের চেয়ারম্যান খগেশ্বর রায় জানিয়েছেন, “সামান্য একটা কথা নিয়ে একটু সমস্যা হয়েছিল”। পাশাপাশি দলের জেলা সভাপতি মহুয়া গোপ বলেন, “আমাদের দল এখন অনেক বড়। তাই কিছু মান অভিমান থাকতেই পারে। এটা আমাদের ভেতরের ব্যাপার”৷

রণকৌশল নির্ধারণের বৈঠকে ধুন্ধুমার, জেলা সভাপতির হস্তক্ষেপ

রণকৌশল নির্ধারণের বৈঠকে ধুন্ধুমার, জেলা সভাপতির হস্তক্ষেপ
রণকৌশল নির্ধারণের বৈঠকে ধুন্ধুমার, জেলা সভাপতির হস্তক্ষেপ

উত্তরবঙ্গের দলীয় সংগঠন নিয়ে চিন্তিত রয়েছে রাজ্য তৃণমূল নেতৃত্ব। ২০১৯ সালের নির্বাচনে সেভাবে দাঁত ফোঁটাতে পারেনি তৃণমূল। ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেন জয়ন্ত কুমার রায়। এরপর ২০২১ এর নির্বাচনে জেলার ৯ টি আসনের মধ্যে ৩ টি পায় তৃণমূল। বাকি ৬টি পায় বিজেপি। বিজেপির বিস্তারে কপালে ভাঁজ শীর্ষ নেতৃত্বের। পুরভোটে সেই খরা কাটিয়ে উঠতে পারবে তৃণমূল? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলের।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত