নজরবন্দি ব্যুরোঃ শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে শাস্তির মুখে জয়প্রকাশ ও রিতেশ। ইতিমধ্যেই রাজ্য বিজেপির তরফে তাদে বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দুই নেতাকে শোকজ করেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সূত্রের খবর, সেই ঘটনাতেই সর্বভারতীয় বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করতে চলেছেন দুই বিজেপি নেতা।
আরও পড়ুনঃ COVID-19 in India: একধাপে অনেকটা কমল দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, অনেকটা স্বস্তি
সূত্রের খবর, আগামী ২ ফেব্রুয়ারি দুই শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করতে চলেছেন তাঁরা। বিজেপির দুই বিক্ষুব্ধ নেতারা ছাড়াও রাজ্যের একাধিক নেতারা নাড্ডা-শাহের সঙ্গে দেখা করতে চলেছেন বলে জানা গিয়েছে।
সম্প্রতি রাজ্য কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিজেপির অন্দরে ক্ষোভ বাড়তে শুরু করে। নতুন কমিটি থেকে বাদ পড়া একের পর এক নেতারা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। সেই তালিকায় ছিলেন সায়ন্তন বসু, জয়প্রকাশ মজুমদার এবং রিতেশ তিওয়ারিরা। কিন্তু পরিস্থিতি বেগতিক হতে শুরু করে জেলা কমিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে।
জেলায় বিপুল সংখ্যক সাংগঠনিক সভাপতি বদলের পরেই বিক্ষোভে একের পর এক বিধায়করা হোয়াটাসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়েন। মতুয়া সমাজের কাউকেই সাংগঠনিক পদে জায়গা না দেওয়ার ক্ষোভে বিজেপির সমস্ত গ্রুপ থেকে সরে দাঁড়ান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। গত সোমবারেই রাজ্য বিজেপির বিক্ষুব্ধ নেতাদের সঙ্গে বনগাঁয় পিকনিক করেন তিনি।
সেখানে উপস্থিত ছিলেন সায়ন্তন, জয়প্রকাশ এবং রিতেশ। এমনকি গত রবিবার পোর্ট ট্রাস্টের গেস্ট হাউজে মিটিংয়ের পর শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে বৈঠক সেরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতে দেখা যায় জয়প্রকাশ মজুমদারকে।
শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে শাস্তির মুখে জয়প্রকাশ ও রিতেশ, দিল্লির দরবারে উপস্থিত হবেন

রবিবার দলের তরফে শোকজের পরেই আরও একবার শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা করতে উপস্থিত হন জয়প্রকাশ মজুমদার। দুই নেতার পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন শান্তনু ঠাকুর। সূত্রের খবর,পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই পক্ষের মধ্যে। এভাবে আর কতজনকে শোকজ করা হবে? প্রশ্ন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের।



