বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ক্রমশ আশঙ্কার কালো মেঘ জমা হচ্ছে। রাতের অন্ধকারে হামলা চালান হয় মন্দির-ইসকনে। শুধু তাই নয় ভাঙচুরের পর চালানো হয় লুটপাট। লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে আগুন। পেটানো হচ্ছে হিন্দু দের। রাতের অন্ধকারে মেহেরপুরে ইসকন সেন্টারে চালানো হয় হামলা। পাশাপাশি খিলগাঁও-য়ে ভাঙচুর চালানো হয় মন্দিরে। মারধর করা হয় হিন্দুদের। কিন্তু যেখানে কোটা সংস্কারের দাবি সহ শেখ হাসিনার পদত্যাগ নিয়ে শুরু হয়েছিল এই আন্দোলন। সেখানে সেই দাবি পূরণের পরও থামছে না আন্দোলন।
গত কাল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশ ত্যাগের পর ফের অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ। শিকেয় উঠেছে গণতন্ত্র। একাধিক প্রশাসনিক ভবনের দখল নিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। এর পাশাপাশি অত্যাচার শুরু করা হয়েছে বাংলাদেশের সংখ্যা লঘুদের ওপর। হিন্দুদের ধর্মীয় স্থানে রাতের অন্ধকারে চালানো হচ্ছে হামলা। গতকাল রাতেই হামলা চালানো হয় মেহেরপুরে ইসকন সেন্টারে। খিলগাঁও-য়ে কালিমন্দিরে। কুমিল্ল্যায়ও হিন্দুদের ঘরে ঢুকে মারধরের অভিযোগ উঠে আসছে। ফল রীতিমত আশঙ্কায় রয়েছে সে দেশের হিন্দুরা।
একাধিক দাবি নিয়ে শুরু হয়েছিল ছাত্র আন্দোলন। পরে সেই দাবির সিংহ ভাগই পূরণ করা হলেও। এখনও অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ। এবার লক্ষ্য হিন্দু মুক্ত বাংলা দেশ। তবে ছাত্র আন্দোলন কীভাবে এই ধর্মীয় আন্দোলনে পরিণত হল সে নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। এবার কি তবে শত্রু দেশের তালিকায় নাম লেখাবে বাংলাদেশ। সে নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।
তবে পরিস্থিতির উপর নজর রেখে দলের মন্ত্রীদের নিয়ে গতকালই বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী। শুধু তাই নয় আজও ডাকা হয়েছে সর্বদলীয় বৈঠক। যেখানে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বক্তব্য।ফলে অত্যন্ত গুরুত্ব পূর্ণ হতে চলেছে এই বৈঠক।



