মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের আবহ ক্রমশ ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। যুদ্ধের ২২তম দিনে এসে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। একদিকে কঠোর অবস্থানে Abbas Araghchi, অন্যদিকে সমান অনমনীয় Donald Trump—ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।
ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনওভাবেই শুধুমাত্র ‘সিজফায়ার’ মেনে নেবে না তেহরান। তাঁর কথায়, “আমরা এমন সমাধান চাই, যাতে ভবিষ্যতে আর সংঘাত ফিরে না আসে।”
গত বছরের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন—সাময়িক যুদ্ধবিরতির পর আবার সংঘাত শুরু হতে পারে। তাই ইরানের লক্ষ্য এখন “সব ফ্রন্টে যুদ্ধের সম্পূর্ণ অবসান”।
ট্রাম্পের বার্তা: যুদ্ধ থামার ইঙ্গিত নেই
অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা কার্যত নাকচ করে দিয়েছেন। তাঁর মন্তব্য, “যখন প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করা হচ্ছে, তখন সিজফায়ার করা হয় না।”
শুধু তাই নয়, NATO-র ভূমিকাও তীব্র ভাষায় সমালোচনা করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, এই সংঘাতে জোটের সমর্থন যথেষ্ট নয় এবং আমেরিকা ছাড়া ন্যাটো কার্যত দুর্বল।
২২ দিনে বাড়ছে উত্তেজনা
ইতিমধ্যেই ২২ দিনে গড়িয়েছে এই সংঘাত। একাধিক ফ্রন্টে হামলা ও পাল্টা হামলায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। সামরিক তৎপরতা যেমন বাড়ছে, তেমনই কূটনৈতিক আলোচনার পথ ক্রমশ সংকীর্ণ হয়ে আসছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দুই পক্ষের এই অনমনীয় অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে—সংঘাত আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে।








