যুদ্ধের চতুর্থ দিনে নতুন করে চাঞ্চল্য। ইরানি সংবাদমাধ্যমের দাবি, দক্ষিণ ইরানের বন্দরনগরী Bushehr-এর বিমানবন্দরে আকাশ হামলায় ধ্বংস হয়েছে একটি ইরানি যাত্রীবাহী বিমান। অভিযোগের তির আমেরিকা ও ইজ়রায়েলের যৌথ অভিযানের দিকে। তবে বিমানটি আকাশে নয়—রানওয়েতে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থাতেই আঘাত হানা হয় বলে দাবি।
ইরানের ‘মেহর নিউজ এজেন্সি’ সহ একাধিক স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, হামলার সময় বিমানটি মাটিতে ছিল এবং সরাসরি আঘাতে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা Reuters-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ, সেটি Iran Air-এর বিমান বলে জানা গিয়েছে। তবে বিমানে যাত্রী ছিলেন কি না, হতাহতের সংখ্যা—এ নিয়ে এখনও স্পষ্ট সরকারি বিবৃতি নেই। বিমানবন্দরের অবকাঠামোরও ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি।


বুশেহর পারস্য উপসাগরের তীরে অবস্থিত এবং এখানেই রয়েছে ইরানের একমাত্র কার্যকর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র—Bushehr Nuclear Power Plant। ফলে হামলার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সামরিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলে আঘাত সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করতে পারে।
শুধু বুশেহর নয়, রাজধানী তেহরানের অভ্যন্তরীণ উড়ানকেন্দ্র Mehrabad International Airport-এও হামলার অভিযোগ উঠেছে। সেখানে আকাশে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি।
উল্লেখ্য, এই ঘটনার স্বাধীন যাচাই এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। ওয়াশিংটন বা তেল আভিভের তরফে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে বেসামরিক বিমান ও বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের প্রশ্ন তুলছে—সংঘাত কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত।









