পথের জীবনে ইতি ইরাদেবীর, অভিষেকের হস্তক্ষেপে পেনশন চালু বুদ্ধবাবুর শ্যালিকার।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ যা দীর্ঘদিন অধরা ছিল টা যেন কয়েক মুহুর্তেই কাছে এনে দিল সোশ্যাল মিডিয়া। এবার পথের জীবনে ইতি ইরাদেবীর। কিছুদিন আগেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর শ্যালিকা ইরাদেবীকে ‘পথে’ খুজে পায় একটি সংবাদমাধ্যম। ইরাদেবীর খবর আর ছবি মুহুর্তেই ছড়িয়ে পড়ে মুঠোফোনে। খবর কানে যায় বুদ্ধবাবু এবং বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের কানেও। মুখ খোলেন ইরার দিদি বুদ্ধজায়া মীরা।

আর পড়ুনঃ রাজ্যে বাড়ল করোনায় দৈনিক আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা, দেখুন বাংলার বুলেটিন।

মীরা বলেন, “ওনার কোন অর্থনৈতিক অসচ্ছলতা নেই। উনি চাইলেই নিজের বাড়িতে ফিরে বসবাস করতে পারেন। কিন্তু কোন অজানা কারণে ফুটপাতে বসবাস করছেন উনি। সেইসঙ্গে তিনি বলেন পরিবারের কারুর কথা কোনদিন ই শোনেননি তিনি, তাই আজ নিজের ইচ্ছামতো জীবনযাপন করেছেন।”

এদিকে, বরানগর থানার পুলিশ ও স্থানীয় বাম নেতা-কর্মীদের যৌথ উদ্যোগে কলকাতার একটি মানসিক হাসপাতালে ভরতি করা হয় রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই শ্যালিকা কে। পরে তাঁর ঠাই হয়, পানিহাটি পৌরসভা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিআইএম কাউন্সিলর সুদীপ রায়ের বাড়িতে। জানা যায় দীর্ঘ ১২ বছর পেনশন পাচ্ছেন না খড়দহের প্রিয়নাথ গার্লস স্কুলের জীবনবিজ্ঞানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা ইরাদেবী।

একসময়ের মনপ্রান দিয়ে শিক্ষাদান করা শিক্ষিকা কোনদিন সামনে আসতে দেননি মুখ্যমন্ত্রীর শ্যালিকা পরিচয়। সেই ইরাদেবীর পেনশন চালু করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আপাতত ১৩ হাজার ৯৮৫  টাকা করে পেনশন পাবেন ইরা বসু। সূত্রের খবর এই সব কিছুর পেছনে রয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর উদ্যোগেই ইরাদেবীর পেনশন চালু হল আবার।

১লা মে থেকে এই নির্দেশিকা কার্যকর করা হচ্ছে। রাজ্যের নির্দেশ ১ লা মে ২০০৯  অর্থাৎ তাঁর অবসরের সময় থেকেই নির্দেশিকা কার্যকর হবে। অর্থাৎ মাসিক পেনশান তো বটেই, বকেয়া টাকাও পাবেন তিনি। অর্থাৎ এবার পথের জীবনে ইতি ইরাদেবীর।

পথের জীবনে ইতি ইরাদেবীর, অভিষেকের হস্তক্ষেপে পেনশন চালু বুদ্ধবাবুর শ্যালিকার।

পথের জীবনে ইতি ইরাদেবীর, অভিষেকের হস্তক্ষেপে পেনশন চালু বুদ্ধবাবুর শ্যালিকার।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত