নজরবন্দি ব্যুরোঃ ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ উৎসবে সামিল হয়েছে দেশবাসী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ডাকে সাড়া দিয়েছে পুরো দেশ। এদিকে স্বাধীনতার ৭৪ বছর পর গত বছরই প্রথমবার ১৫ অগাস্ট পার্টি অফিসগুলিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সিপিআইএম। সেই পরম্পরা অব্যাহত থাকল এইবারেও। ২০২২ সালে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে স্বাধীনতার ৭৫ তম বছর। বাদ গেলনা আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের সিপিআইএম রাজ্য দফতর।
আরও পড়ুনঃ দলনেত্রীর বার্তা পেয়েছে কেষ্ট, জানালেন তিনি আত্মবিশ্বাসী



আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে সিপিআইএম রাজ্য দফতরের ছাদে এদিন জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন বামফ্রন্ট চেয়্যারম্যান বিমান বসু। তারপর তিনি কমিউনিস্টদের স্বাভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে জাতীয় পতাকার উদ্দেশে মুষ্টিবদ্ধ হাত প্রদর্শন করেন। বিমান বসুর দেখাদেখি দীপক দাশগুপ্ত, সুখেন্দু পাণিগ্রাহি, সূর্য মিশ্ররা জাতীয় পতাকার উদ্দেশ্যে মুষ্ঠিবদ্ধ হাত প্রদর্শন করেন। শহিদ বেদীতে মালা দিয়ে বিপ্লবী অভিবাদন জানান সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম।

এদিনের সব থেকে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, সিপিআইএম রাজ্য দফতরে যে পতাকা বছর ভর ওড়ে সেই রক্তপতাকা পতাকার থেকে বেশ খানিকটা উঁচুতে ওড়ানো হল দেশের জাতীয় পতাকা। এই ঘটনা খুবই স্বাভাবিক। কারণ পার্টি পরে দেশ আগে, এই বার্তা সব দলই দিয়ে থাকে। যার ব্যাতিক্রম ঘটল না ভারতের মার্কসবাদী কমিউনিস্ট পার্টির।


আলিমুদ্দিনে উড়ল জাতীয় পতাকা, মুষ্ঠিবদ্ধ হাত প্রদর্শন করে বিপ্লবী অভিবাদন বিমানদের।

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ায় সরকারিভাবে স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতেন জ্যোতি বসু, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যরা। কিন্তু তাঁদের দল ওই দিন নানা কর্মসূচি নিলেও, পার্টি অফিসে উঠত না জাতীয় পতাকা। যার ব্যতিক্রম ঘটেছিল ২০২১ সালে। গত বছরই প্রথমবার ১৫ অগাস্ট দেশের পতাকা উড়তে দেখা যায় আলিমুদ্দিন স্ট্রিট-সহ সিপিআইএমের অন্যান্য পার্টি অফিসে।







