নজরবন্দি ব্যুরো: কানাডায় খলিস্তানপন্থী নেতা খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক কার্যত তলানিতে ঠেকেছে। এমন সময়ে নয়া দিল্লির নির্দেশকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যেই নয়া দিল্লি থেকে ৪০ জন কূটনীতিককে কানাডায় ফেরানোর নির্দেশ ভারতের। বিশিষ্ট মহলের মতে, এরফলে ভারত-কানাডা সম্পর্কে তিক্ততা আরও বাড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ফের উপত্যকায় জঙ্গি-নিধন অভিযানে, চলছে গুলির লড়াই, আহত ২ সেনা জওয়ান
সূত্রে খবর, আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে নয়াদিল্লি থেকে নিজেদের ৪০ কূটনীতিককে সরাতে হবে কানাডাকে। অটোয়াকে এমনই নির্দেশ দিয়েছে নয়াদিল্লি। গতমাসেই কানাডার উচ্চপদস্থ কূটনীতিককে পাঁচ দিনের মধ্যে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেয় ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক। সেইসময় ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, খলিস্তানিদের আশ্রয় দিয়েছে কানাডা। খলিস্তানিরা কানাডার ছত্রছায়ায় থেকে ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে চলেছে।

বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী জানিয়েছেন, ‘কানাডায় ভারতের যে সংখ্যক কূটনীতিক রয়েছেন, সেই তুলনায় নয়া দিল্লিতে কানাডার কূটনীতিকদের সংখ্যা অনেকটাই বেশি। তাই দু’দেশের মধ্যে সমতা বজায় রাখতেই এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে। ১০ তারিখের মধ্যেই কানাডার ৪০ জন কূটনীতিককে দিল্লি থেকে দেশে ফিরতে হবে।

গত জুন মাসে খুন হন খলিস্তানপন্থী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর। হরদীপের খুনের নেপথ্যে ভারত সরকারের হাত থাকতে পারে বলে অভিযোগ আনেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। যদিও তাঁর এই ‘ভিত্তিহীন’ অভিযোগ অস্বীকার করে দেয় নয়াদিল্লি। এরপর থেকেই দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে চিড় ধরে। ভারতে বসবাসকারী কিংবা দেশে ঘুরতে আসা কানাডাবাসীর জন্য কিছু নিয়ম জারি করে ট্রুডোর সরকার। পাল্টা ভারতের তরফেও সেদেশে বসবাসকারী ভারতীয় পড়ুয়া ও নাগরিকদের সর্তক করে নির্দেশিকা জারি করা হয়।
নয়াদিল্লি থেকে নিজেদের কূটনীতিককে সরাতে হবে কানাডাকে, ভারতের সিদ্ধান্তে সম্পর্কে তিক্ততা আরও বাড়ল!




