নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনা আবহেই এবার শুরু হবে ভারতীও ক্রিকেট।কিন্তু তার আগে বোর্ডের পক্ষ থেকে প্রতিটি রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ১০০ পাতার করোনা পরবর্তী নিয়ম। যার নাম SOP অর্থাৎ স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিয়োর। এই SOP তে বলা হয়েছে প্রথমে প্রাকটিস শুরু হবে একা একা তারপর ছোট গ্রুপে করে এবং করোনা পরিস্থিতি যেমন যেমন ঠিক হবে তেমন ভাবে পাল্টাবে সেই নিয়ম। প্রত্যক রাজ্য ক্রিকেট সংস্থা কে অবশ্যই এক জন করে চিফ মেডিক্যাল অফিসার নিয়োগ করতে হবে। যার সাথে হাত মিলিয়ে করতে হবে অনুশীলন। এছারাও রয়েছে অনেক নিয়ম।যেমনঃ
আরও পড়ুনঃ আবার বদলে গেল রাজ্যের লকডাউনের দিন ক্ষণ।দেখে নিন নতুন তারিখ।
১) ট্রেনিং শুরুর আগে ক্রিকেটারদের সরঞ্জাম জীবানুমুক্ত করতে হবে।
২) ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফরা মাঠে নামার আগে তাদের স্ক্রিনিং বাধ্যতামূলক। নতুন কেউ এলে তার করোনা পরীক্ষা করাতে হবে।
৩) ক্রিকেটারদের সবাইকে পোশাক পরে আসতে হবে। এনসিএ-র শৌচাগার যতটা সম্ভব কম ব্যবহার করতে হবে।
৪) বলে লালা ব্যবহার করা যাবে না। বলকেও জীবানমুক্ত রাখতে হবে।
৫) কোচ বা সাপোর্ট স্টাফদের কাউকে প্রতিদিন প্রত্যেক ক্রিকেটারকে জিজ্ঞাসা করতে হবে সে কোনও রকম অসুস্থ বোধ করছে কি না?
৬) ছোট গ্রুপে ট্রেনিং শুরু করতে হবে। এবং দু’জন ক্রিকেটারের মধ্যে দু’মিটারের দূরত্ব থাকা বাধ্যতামূলক।
৭) ট্রেনিং এমন ভাবে করতে হবে যাতে ফিজিওথেরাপির প্রয়োজন তেমন না পড়ে।
৮) জিমের সরঞ্জাম নতুন করে সাজাতে হবে। জিম ব্যবহার না করতে পারলে সবচেয়ে ভাল। কিন্তু একান্তই প্রয়োজন হলে দু’মিটারের দূরত্বে দু’জনকে জিম করতে হবে। একসঙ্গে ঘরে থাকতে পারবেন চার জন ক্রিকেটার। বিভিন্ন স্লটে জিম সেশনকে ভাগ করতে হবে যাতে যথেষ্ট সময় থাকে জিমের সরঞ্জামকে জীবানুমুক্ত করার।
৯) ফিজিওথেরাপিও একান্ত দরকার হলে এসি বন্ধ করতে হবে। প্লেয়ার এবং ফিজিও দু’জনকেই মাস্ক পরতে হবে।
১০) মাস্কে ক্রিকেটাররা নাম লিখে রাখলে আরও ভাল। তাতে অন্যেরটা ব্যবহার হবে না।
১১) ট্রেনিং শুরুর আগে ক্রিকেটারদের কোভিড শিক্ষার বন্দোবস্ত করা বাধ্যতামূলক।
১২) ট্রেনিং শুরুর আগে ক্রিকেটারকে লিখিত দিতে হবে যে, সে ট্রেনিং করতে রাজি।



