ব্যাটে ভারতের ঝড়, পরে বল ও ফিল্ডিংয়েও দাপট—সব মিলিয়ে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে শেষ হাসি ভারতেরই। ২৫৪ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ডকে ম্যাচে ফিরিয়েছিলেন জেকব বেথেল। কিন্তু তাঁর শতরানও শেষ পর্যন্ত জয়ের জন্য যথেষ্ট হল না। ম্যাচের একেবারে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে হার্দিক পাণ্ডিয়ার দুরন্ত থ্রোতে রান আউট হয়ে যান বেথেল, আর সেখানেই কার্যত শেষ হয়ে যায় ইংল্যান্ডের জয়ের আশা।
প্রথমে ব্যাট করে ভারত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে তোলে ২৫৩ রান। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলেন সঞ্জু স্যামসন। মাত্র ৪২ বলে ৮৯ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন তিনি। ওপেনিংয়ে তাঁকে ভালো সঙ্গ দেন ঈশান কিশন, যিনি ১৮ বলে ৩৯ রান করেন।


মাঝের ওভারে দ্রুত রান তুলতে থাকেন শিবম দুবে ও সূর্যকুমার যাদব। দুবে ২৫ বলে ৪৩ রান করেন, যদিও হার্দিকের ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে ফিরতে হয় তাঁকে। সূর্যকুমার ৬ বলে ১১ রান করে আউট হন। শেষ দিকে হার্দিক পাণ্ডিয়া ১২ বলে ২৭ এবং তিলক বর্মা ৭ বলে ২১ রান করে দলের স্কোর ২৫০ পার করিয়ে দেন।
২৫৪ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই ফিল সল্টকে ফিরিয়ে দেন হার্দিক পাণ্ডিয়া। পরে জসপ্রীত বুমরাহের বলে আউট হন হ্যারি ব্রুক।
এরপর জস বাটলার ও জেকব বেথেল কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে ইংল্যান্ড। বাটলার ২৫ রান করে আউট হন, আর ব্যান্টন ১৭ রান করে অক্ষর পটেলের বলে ফিরে যান।


তবে একাই লড়াই চালিয়ে যান জেকব বেথেল। মাত্র ১৯ বলে অর্ধশতরান করার পর ৪৫ বলে পৌঁছে যান শতরানে। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ভারতের বোলারদের চাপে রাখেন তিনি। কিন্তু ম্যাচের শেষ দিকে নাটকীয় মোড়।
৪৮ বলে ১০৫ রান করে দু’ রান নিতে গিয়ে হার্দিক পাণ্ডিয়ার দুরন্ত থ্রোতে রান আউট হয়ে যান বেথেল। সেই উইকেটের পরই কার্যত ভেঙে পড়ে ইংল্যান্ডের লড়াই।
শেষ দিকে স্যাম কারেনও ১৮ রান করে হার্দিকের বলে আউট হন। ফলে বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে ইংল্যান্ডের লড়াই শেষ পর্যন্ত থেমে যায়।
ব্যাটিংয়ের ঝড়, বোলিংয়ের চাপ এবং ফিল্ডিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত—সব মিলিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে দুর্দান্ত জয় তুলে নেয় ভারত।







