নজরবন্দি ব্যুরো: ভাঙন ISF-এ! খাম ছেড়ে জোড়াফুলে ভাইস প্রেসিডেন্ট সহ শতাধিক কর্মী। নির্বাচন শুরু হওয়ার পরেও রাজনৈতিক দলগুলির ভাঙন অব্যাহত। ইতিমধ্যে এক দফার নির্বাচন হয়ে গিয়েছে বাংলায়। বাকি ৭ দফার জন্য আদা-জল খেয়ে নেমেছেন সব দলের সব প্রার্থী থেকে কর্মীরা। একে অপরকে কার্যত একচুলও জায়গা ছাড়ছেন না প্রচারে। তার মাঝেই ভাঙন সিদ্দিকির ফ্রন্টে। আজ সোমবার তৃণমূল ভবনে ফিরহাদ হাকিমের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দান করলেন আব্বাস সিদ্দিকির দলের ভাইস-প্রেসিডেন্ট হাজী মহম্মদ সহ বন্দর এলাকার প্রভাবশালী কংগ্রেস নেতা শাকিল আহমেদ এবং শতাধিক ISF-কর্মী।
আরও পড়ুনঃ আমি স্থানীয় ছেলে… আমাকে জেতান! নন্দীগ্রামে ভোট প্রার্থনা শুভেন্দুর।
বাংলায় এই দল বদলের খেলা জোর কদমে শুরু হয়েছে মূলত গতবছর ডিসেম্বরে। শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যান, আর সঙ্গে যান একাধিক নেতা মন্ত্রী এবং কর্মী। তার পর থেকে বাংলায় দিদির অনুগামী আর দাদার অনুগামীদের বিভাজন স্পষ্ট হয়েছে। এসবের মধ্যেই বাংলায় ২১এর নির্বাচন লড়তে বাম, কংগ্রেস এবং আব্বাস সিদ্দিকির ISF মিলে তৈরি হয়েছে সংযুক্ত মোর্চা। দীর্ঘ টালবাহানার পর চূড়ান্ত হয়েছে তাঁদের আসন রফা। একে একে বামেদের প্রার্থীদের হয়ে প্রচারেও যাচ্ছেন আব্বাস সিদ্দিকি।
ডাক দিচ্ছেন পরিবর্তনের। একেবারে নতুন দল হওয়ায় এখনো সিলমোহর এবং প্রতীক না পাওয়ায় বিহারের দলের নামে এবং প্রতীকে প্রার্থী দিয়েছে ইন্ডিয়ান সকুলার ফ্রন্ট। তবে এসবের মধ্যেই বড়সড় ভাঙন দেখা দিল দলে। ফিরহাদ হাকিমের হাত ধরেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন শতাধিক ISF কর্মী। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ফিরহাদ জানিয়েছেন, “ISF নিজেকে বামেদের কাছে সমর্পণ করেছে, যে CPM এর বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াই, আব্বাস এখন সেই দলের কমরেড, তারই প্রতিবাদে দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট সহ কর্মীরা যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে।”
ভাঙন ISF-এ! তিনি আরো বলেছেন, “বাংলায় বিজেপিকে আটকাতে পারে একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।” সঙ্গে তিনি অমিত শাহের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার ঘটনায় কংগ্রেসকে তোপ দেগে বলেছেন, “এখনো নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় রয়েছেন তার অপদার্থতার দায় কংগ্রেসের। যদি গুজরাট মামলার সঠিক তদন্ত হতো তাহলে অমিত শাহ্ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পারত না।”



