পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছেন বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। শাসকদল থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর নিজের দল গঠন করে নির্বাচনী লড়াইয়ের প্রস্তুতি শুরু করলেও একক শক্তিতে বড় লড়াই কঠিন—তা বুঝেই এবার বিরোধী জোটের দিকে ঝুঁকছেন তিনি। তাই নিজের দলের তরফে প্রার্থী ঘোষণা চললেও সিপিএম ও আইএসএফকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর জোট গড়ার সম্ভাবনা খোলা রাখলেন ভরতপুরের এই বিধায়ক।
শনিবার আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (AGUP)–র চেয়ারম্যান হিসেবে হুমায়ুন কবীর মালদহ জেলার চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী ঘোষণা করেন। সুজাপুর থেকে মহম্মদ নাসিমুল হক, রতুয়া থেকে রয়েল ইসলাম, মালতিপুর থেকে আবু মিন্নাত শেখ এবং মানিকচক থেকে সইদুর রহমানকে প্রার্থী করা হয়েছে।
এদিন হুমায়ুন জানান, কয়েকটি ছোট দলকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর দল আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে মোট ১৮২টি আসনে প্রার্থী দিতে প্রস্তুত। তবে সেই সঙ্গেই জোটের সম্ভাবনাও পুরোপুরি বন্ধ করছেন না তিনি।
এর আগে প্রথম দফায় আম জনতা উন্নয়ন পার্টির তরফে ন’জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। শনিবার দ্বিতীয় দফায় মালদহের চারটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হল। তবুও জোটের দরজা খোলা রেখে হুমায়ুন কবীর স্পষ্ট জানিয়েছেন, সিপিএম ও আইএসএফ চাইলে আলোচনার সুযোগ এখনও রয়েছে।
তিনি বলেন, “সিপিএম এবং আইএসএফের সঙ্গে জোটের ব্যাপারে আগে ১০ মার্চ পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। এখন আমরা সেই সময়সীমা ১৫ মার্চ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিলাম। তারা যদি এগিয়ে আসে, আলোচনা হবে। না এলে আমরা নিজেদের শক্তিতেই ১৮২টি আসনে লড়াই করব।”
অন্যদিকে, হুমায়ুন কবীরের দলের সঙ্গে সম্ভাব্য জোট নিয়ে সিপিএম এখনও প্রকাশ্যে বিশেষ কিছু বলেনি। ইতিমধ্যেই বাম শিবির নওশাদ সিদ্দিকির আইএসএফের সঙ্গে জোটের ঘোষণা করেছে। ফলে নতুন কোনও সমীকরণ তৈরি হয় কি না, তা জানতে এখন নজর থাকবে ১৫ মার্চের দিকে।






