নজরবন্দি ব্যুরোঃ রামপুরহাট হত্যাকাণ্ডে স্বতঃপ্রণোদিত অভিযোগ দায়ের করল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। সূত্রের খবর, রামপুরহাটে গিয়ে তদন্ত করবেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার এমনটাই জানিয়েছেন কমিশনের চেয়ারপার্সন, প্রাক্তন বিচারপতি অরুণ মিশ্র।
আরও পড়ুনঃ Bagtui: মমতার নির্দেশে পুলিশকে নিয়ন্ত্রণ করত আনারুল, বিস্ফোরক মহম্মদ সেলিম


বুধবার রামপুরহাটের বাগটুইয়ে আট জন গ্রামবাসীর মৃত্যুর ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা গ্রহণ করেছিল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার শুনানি-পর্বে নন্দীগ্রামের সঙ্গে তুলনা টেনে ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি তোলেন আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবীরা।

বৃহস্পতিবার বাগটুই গ্রামে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর গ্রেফতার করা হয় রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লকের সভাপতি আনারুল হোসেনকে। ঘটনায় এই নিয়ে ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশের পর প্রায় ঘন্টা দুয়েক ধরে আনারুল হোসেনের খোঁজ চালায় পুলিশ। বাড়িতে গিয়েও না মেলায় ফিরে আসতে হয় পুলিশকে। পরে তারাপীঠ থেকে গ্রেফতার আনারুল।
স্বতঃপ্রণোদিত অভিযোগ দায়ের করল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, তদন্ত করবে তাঁরা
তিনি বলেন, আনারুল সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ পিকেটিং দিলে এই ঘটনা ঘটত। বড়সড় ষড়যন্ত্র রয়েছে। তাই নিহতদের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে হবে। আহতদের পুরো চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। যাদের ঘরবাড়ি পুড়ে গেছে তাঁদেরকে ১ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। আপাতত ৫ লক্ষ টাকা করে মৃতদের পরিবারকে দেওয়া হবে। মৃতদের পরিবারের ১০ জনকে নিজের কোটা চাকরী দেওয়া হবে।









