বিপুল শূণ্যপদ তবুও নিয়োগ করছে না রাজ্য! অবসাদে ভুগছেন ৭ হাজার ওয়েটিং।

বিপুল শূণ্যপদ তবুও নিয়োগ করছে না রাজ্য! অবসাদে ভুগছেন ৭ হাজার ওয়েটিং।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিপুল শূণ্যপদ তবুও নিয়োগ করছে না রাজ্য! অবসাদে ভুগছেন ৭ হাজার ওয়েটিং। গতকাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন দেশজুড়ে বেকারত্বের হার ২৪ শতাংশ বেড়ে গেলেও রাজ্যে কমেছে ২৪ শতাংশ। কিন্তু বাস্তব চিত্র অন্য কথা বলছে। বিশেষত এসএসসি বা পিএসসি ওথবা টেট। এই ক্ষেত্র গুলিতে বহু চাকরিপ্রার্থী বেনিয়মের অভিযোগ এনেছেন রাজ্যের বিরুদ্ধে। সেই রকমই আর একটি অভিযোগ সামনে এল। ২০১৬-২০১৭ তে আয়োজিত ওয়েস্ট বেঙ্গল সেন্ট্রাল স্কুল সার্ভিস কমিশন কর্তৃক গ্রুপ -সি আর ডি এর লিখিত পরীক্ষা হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস! লকডাউন তুলে নিল রাজ্য সরকার।

পরবর্তীকালে ইন্টারভিউ হয়ে ২০১৮ তে রেজাল্ট বের হয়। বিজ্ঞপ্তি সেন্ট্রাল ভিত্তিক ইন্টারভিউ জোন ভিত্তিক আর ফাইনাল রেজাল্ট জেলা ভিত্তিক হয়। ফলে প্রায় ৭০০০ চাকরিপ্রার্থী ওয়েটিং এ চলে যায়। এখানে বলে রাখা দরকার, শূন্যপদের বহুগুন অনুপাত না মেনে রাখা হয়। পরবর্তীকালে তিনটি কাউন্সিলিং এর নামে মাত্র ৫০-১০০ জন নেওয়া হয়। যার ফলে মহামান্য কলকাতা হাইকোর্টে একটি কেস হয় চরম দুর্নীতির জন্য। আদালত রায় দেয় নতুন করে জেলা লিঙ্গ অনুপাত অনুসারে রেজাল্ট প্রকাশ করতে। কিন্তু আদালত এমন নির্দেশ দেওয়ার পরেও কমিশন অনেক পরে একটি রেজাল্ট প্রকাশ করে। যদিও সেই রেজাল্ট ভুলে ভরা বলে অভিযোগ ওঠে।

সেই ভুলে ভরা রেজাল্ট প্রকাশ করার পরে কমিশন কিছু দিন পর ছয়মাসের আগের একটি তারিখ দিয়ে প্যানেল বন্ধ করে দেয়। যার ফলে আরো একটি অন্য কেস হয় কমিশনের বিরুদ্ধে। চাকরিপ্রার্থীদের প্রশ্ন,
কমিশন না আদালত না পরীক্ষার্থী কাউকেই কোনও প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারছে না কেন? চাকরিপ্রার্থীদের আরও অভিযোগ, যদি আমরাই ভুল করে থাকি বা বলে থাকি তাহলে আমাদেরও কেন সংশোধন করে দিচ্ছে না।আমাদের এক বছর আগের RTI এর কোনও উত্তর এখনও দেয়নি।

বিপুল শূণ্যপদ তবুও নিয়োগ করছে না রাজ্য। চাকরিপ্রার্থীরা জানিয়েছেন, তাঁরা এই বিষয় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা, কমিশনের চেয়ারম্যান সব পক্ষ কেই অনুরোধ করেছি। কিন্তু কেউই আশ্বাস ছাড়া কিছুই দেয়নি। কোন সদর্থক পদক্ষেপও গ্রহন করেনি। চাকরিপ্রার্থীদের দাবি জেলার ডিস্ট্রিক্ট ইনস্পেক্টর অফিস সূত্রে তাঁরা খবর পেয়েছে বিপুল পরিমানে শূন্যপদ রয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসা, বিপুল পরিমাণ শূন্যপদ থাকা সত্ত্বেও তখন বা এখন কেন নিয়োগ করা হয়নি বা হচ্ছে না?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x