ছাত্র আন্দোলন ক্রমেই রুপ নিয়েছে ধর্মীয় আন্দোলনে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দেশ ত্যাগের পরেই রীতিমতো অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ। চরম অরাজকতা তৈরি বাংলাদেশে। একের পর এক জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু করে পুলিশ স্টেশন। সেই সঙ্গে ধরে হত্যা করা হচ্ছে একাধিক পুলিশ কর্মীকেও। এছাড়াও মাঝে মধ্যেই উঠছে ভারত বিরোধী স্লোগান। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা জনিত আশঙ্কায় ভুগছেন বাংলাদেশে থেকে একাধিক ভারতীয় হাই কমিশনের কর্মকর্তারা।
দিকে দিকে অশান্তির জেরে চরম অরাজকতার পরিস্থিতি সৃষ্টি বাংলাদেশে। মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচতে পারেনি পুলিশ কর্মীরাও। কথাও ব্রিজ থেকে তো আবার কথাও গাছ থেকে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁদের। তাই ভারতীয় হাই কমিশনের জরুরি নয় বা কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজের সঙ্গে যুক্ত নয়। এমন কয়েকজন কর্মকর্তাকে ও তাঁদের পরিবার কে বুধবার ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে । বুধবার সকালেই ঢাকা থেকে তাঁদের দিল্লিতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে । শুধু তাই নয় দিল্লিতে ফিরেই অনেক নিরাপদ বোধ করছেন বলে জানাই এই কর্মকর্তা ও তাঁদের পরিবার।
জানা গেছে এই কর্মকর্তা দের মধ্যে অনেকেই, যদিও আরও বেশ কিছু কর্মকর্তা যাদের বাংলাদেশে থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়েছে তার এখনও সেখানে রয়েছেন। এর মধ্যে বেশি রয়েছে ঢাকায়। এছাড়াও রয়েছে চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেটে। তবে হাই কমিশনার ছাড়াও রয়েছে অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার কর্মকর্তারাও। শুধু তাই নয় এই সব জায়গায় কাজকর্ম স্বাভাবিক দিনের মতই চালু রয়েছে বলে খবর।
যদিও গতকালই ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানান, বাংলাদেশের পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হয়েছে। এছাড়াও সেখানে থেকে প্রবাসী ভারতীয়দেরও নিরাপদে ফিরিয়ে আনা হবে বলেও জানান তিনি। আর সেই মতই এদিন ফিরিয়ে আনা হয়েছে ভারতীয় হাই কমিশনের কর্মকর্তা্দের। তার আগেও বেশ কিছু পড়ুয়াদেরও ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।



