Heart Attack: শীতেই নাকি বাড়ছে হার্টের সমস্যা, কীভাবে এড়োবেন তা?

বিজ্ঞাপন
নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ  শহরের বেশিরভাগ হাসপাতালে বছরের এই সময়ই হার্টের রোগী আসেন সবচেয়ে বেশি।এর কারণ হিসেবে উঠে আসছে আবহাওয়ার পরিবর্তন এবং অতিরিক্ত ঠান্ডা। ঠান্ডা পড়লে আমাদের শারীরবৃত্তীয় বিভিন্ন পরিবর্তনও আসে, তাই শরীরের সব অঙ্গ ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। নিয়মিত হার্ট চেকআপ এবং খাওয়াদাওয়াতে আনুন পরিবর্তন। শুধু তাই নয়, ৪০ পেরলেই অবশ্যই হার্টের কিছু পরীক্ষা করানো উচিত। আর যদি পরিবারে কারোর হার্টের সমস্যা থাকে তাহলে অতি অবশ্যই ছ মাস ছাড়া হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

আরও পড়ুনঃ ‘ম্যাডাম শিক্ষক নেই স্কুলে পড়ানো যাচ্ছেনা’, কোর্টেই তো সব আটকে…বক্তা মুখ্যমন্ত্রী।

দিল্লির ফর্টিস হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ জানান, ‘শীতকালে বুকে সংক্রমণ, কফ বসে যাওয়া, হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি, শ্বাসকষ্ট, রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার মত সমস্যা লেগেই থাকে। সেই সঙ্গে পরিবেশের তাপমাত্রা কম থাকায় রক্তনালী গুলি সংকুচিত হয়ে থাকে। যে কারণে রক্ত প্রবাহ বাধা পায় এবং হার্টের উপর চাপ সৃষ্টি করে। হার্টের উপর চাপ পড়লেই তখন দেখা দেবে নানা রকম সমস্যা’। যে কারণে শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে শীতে ২০-৩০ শতাংশ রোগীই আসেন হার্টের সমস্যা(Heart attack) নিয়ে।

সময়ে চিকিৎসা শুরু হলে অনেক ক্ষেত্রেই রোগীর প্রাণ বাঁচানো যায়। ফলে হেলদি ডায়েট, ধূমপান একেবারেই না করা, ঠান্ডা না লাগানো, শরীরচর্চা, প্রাণায়ম, এসব মেনে চলতে হবে। হাতের কাছে রাখতে হবে প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র। অন্য সময়ের তুলনায় এই সময় গ্যাসের সমস্যা বেশি হয়। বিশেষত রাতের দিকে যাতে গ্যাস না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন। আর তাই খাওয়া-দাওয়া কিন্তু মেপে করবেন।

প্রতিদিন ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। সপ্তাহে অন্তত আড়াই ঘণ্টা ব্যায়াম করুন, সঙ্গে বেশি মোটা হলে ক্যালরি কমিয়ে দেওয়ায় ভালো। মানসিক চাপ কমিয়ে ফেলুন। ধূমপান ছেড়ে দিন। ঠান্ডা লাগা, সর্দি-কাশি, টনসিল কিংবা বুকে কফ জমার মত সমস্যায় আগে থেকেই সতর্ক থাকুন।

উচ্চরক্তচাপের সমস্যা থাকলে নিয়মিত ওষুধ খান। ঠান্ডায় রক্তচাপ খুব বেশি ওঠানামা করে। যে কারণে হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়। এবার ব্লাডপ্রেসার আর হৃদস্পন্দন একসঙ্গে বেড়ে গেলে হার্টের রোগীদের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

শীতে দূষণ তুলনামূলক ভাবে অনেক বেশি। সব থেকে বেশি ক্ষতি করে ধোঁয়াশা। এখান থেকেই বুকে সংক্রমণের সম্ভাবনা বেড়ে যায় অনেকখানি। হার্টের সমস্যাকে আরও বেশি জটিল করে তোলে এই সংক্রমণ।

শীতে ঘাম কম হয়। শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন বেরনোর সুযোগও কিন্তু থাকে কম। অতিরিক্ত জল অনেক কারণেই ফুসফুসে জমে যায়। ফলে সেখান থেকেও হতে পারে হার্ট অ্যার্টাক।

ভিটামিন ডি এর অভাব হলেও কিন্তু বাড়ে হার্ট অ্যার্টাকের ঝুঁকি। ভিটামিন ডি-এর অভাব হলে হার্টের বিশেষ কিছু কোশগঠনে সমস্যা হয়। আর এই কোশই কিন্তু হার্ট অ্যাটাকের পর হার্টকে রক্ষা করে।

শীতেই নাকি বাড়ছে হার্টের সমস্যা, কীভাবে এড়োবেন তা? 

শীতেই নাকি বাড়ছে হার্টের সমস্যা, কীভাবে এড়োবেন তা?
শীতেই নাকি বাড়ছে হার্টের সমস্যা, কীভাবে এড়োবেন তা?

শীতে কিন্তু শরীরচর্চা করতে ভুলবেন না। সেই সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খান। অতিরিক্ত জলও তা বলে খাবেন না। নুন কম খান। কাঁচা নুন একেবারেই খাবেন না। যে সব ওষুধ নিয়মিত খান কোনওভাবেই তা খেতে ভুলে যাবেন না। বেশি করে আঁশযুক্ত খাবার খান। স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা জমাট-বাঁধা চর্বি জাতীয় খাবার কমিয়ে ফেলে ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার খাবেন।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর