নজরবন্দি ব্যুরোঃ উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক চলছে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। চলছে প্রশ্নোত্তরের প্রশ্ন। আচমকাই উঠল শিক্ষক নিয়োগের প্রশ্ন। উত্তর দিনাজপুর জেলার জেলাপরিষদের মেন্টর আলেমা নুরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় কে বলেন শিক্ষকের অভাবে পড়াশোনার অসুবিধা হচ্ছে। স্কুলে কিছু শিক্ষক পাঠানোর দাবি করেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ Teacher Transfer: বন্ধ হয়ে গেল রাজ্যের ২০৩টি স্কুল, ৩৩৯ জন শিক্ষককে বদলির নির্দেশ।
মুখ্যমন্ত্রী কে আলেমা বলেন, ম্যাডাম শিক্ষক নেই স্কুলে পড়ানো যাচ্ছেনা। তাঁর কথায়, ‘দিদি আমাদের জেলায় একটি মডেল মাদ্রাসা হয়েছে। আমাদের গোয়ালপোখরের কাঞ্জিপাড়া এলাকায়। ওখানে শিক্ষক নেই। শিক্ষকদের অভাবে ছাত্র ছাত্রীরা ভালভাবে পড়াশোনা করতে পারছে না। যদি কিছু শিক্ষক দেওয়া যায় ভাল হয়।’ আলেমার অনুরোধের ভিত্তিতে মুখ খোলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ওইভাবে টিচার হয়না, কোর্টেই আটকে থাকে অর্ধেক। এগুলো এডুকেশন ডিপার্ট্মেন্ট দেখে নেবে।” এরপরেই মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেন, “যেখানে টিচার নেই সেখানে দেখে দেবে শিক্ষা দফতর। এক জায়গায় ৫০ জন আর এক জায়গায় ১ জন। বলতে গেলেই ঝগড়া। সুতরাং এগুলো আসতে আসতে সল্ভ হবে।”
‘ম্যাডাম শিক্ষক নেই স্কুলে পড়ানো যাচ্ছেনা’, কোর্টেই তো সব আটকে…বক্তা মুখ্যমন্ত্রী।

শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ রয়েছে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। অনশন, আন্দোলন সবই চলছে নিয়ম করে। সাথে রয়েছে একাধিক মামলাও। এই প্রসঙ্গে আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেছেন, ‘শিক্ষক নিয়োগে জটিলতা হয়েছে বলেই চাকরিপ্রার্থীরা কোর্টের স্মরনাপন্ন হন। যদি নিয়োগ স্বচ্ছভাবে নিয়ম মেনে হত তাহলে কেউ কোর্টের দরজায় কড়া নাড়ত না। তাছাড়া একের পর এক মামলায় হাইকোর্টে তিরস্কৃত হয়েছে রাজ্য। তারপরেও শিক্ষক নিয়োগে অচলাবস্থার জন্যে আদালতকে দায়ি করা অত্যন্ত নিন্দনীয় বিষয়।’



