নজরবন্দি ব্যুরোঃ বন্ধ হয়ে গেল রাজ্যের ২০৩টি স্কুল। সরকারিভাবে বন্ধ করার ঘােষণা না হলেও স্কুলগুলির নাম ইতিহাসের পাতায় চলে গেল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। করোনা আবহে দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকার কারনে পড়ুয়ারা বিমুখ হয়েছে স্কুল থেকে। তেমন কোন উৎসাহই নেই স্কুলে পঠনপাঠন নিয়ে। হাতে গোনা ছাত্র ছাত্রী আর তার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ শিক্ষক অপ্রতুলতা। সব মিলিয়ে নজিরবিহীন হাল শিক্ষার।
আরও পড়ুনঃ অবৈধ নিয়োগ মুখ্যমন্ত্রীর গড়ে দেওয়া কমিটি মেম্বারদের, নজিরবিহীন অভিযোগ হবু শিক্ষকদের!


যে ২০৩ টি স্কুল আপাতত বন্ধ হয়ে গেল সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে শিক্ষকদেরও। এই বিষয়ে রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশচন্দ্র অধিকারীর মন্তব্য, “পড়ুয়াহীন স্কুলে শিক্ষকদের রেখে লাভ নেই। তাই বদলি করা হয়েছে। এবার আমরা আলােচনায় বসে স্কুলগুলির বিষয়ে করণীয় সিদ্ধান্ত নেব। এখনই ওই স্কুলগুলিকে বন্ধ করার কোনও পরিকল্পনা আমাদের নেই।”
এদিকে রাজ্যের পড়ুয়াহীন স্কুল গুলির ৩৩৯ জন শিক্ষক কে বদলির নোটিশ জারি করেছে শিক্ষা দফতর। বৃহস্পতিবার স্কুল শিক্ষা দপ্তরের যুগ্ম সচিব ওই নির্দেশ জারি করেছেন। জেলায় জেলায় বলে দেওয়া হয়েছে দ্রুত নির্দেশ কার্যকর করে এক সপ্তাহের মধ্যেই বিকাশ ভবনে রিপাের্ট পাঠাতে। আর শিক্ষকদের বদলির সিদ্ধান্তেই স্কুল বিমুখ পড়ুয়াদের স্কুল গুলির ঝাঁপবন্ধ হওয়ার জোগাড় হয়েছে।
বন্ধ হয়ে গেল রাজ্যের ২০৩টি স্কুল, সরকারিভাবে বন্ধ করার ঘােষণা না হলেও স্কুলগুলির নাম ইতিহাসের পাতায় চলে গেল…

কোভিড-১৯ জন্য স্কুল খুলেছে প্রায় দেড় বছর পর। কিন্তু এখনও স্কুলে যেতে অনীহা পড়ুয়াদের। বিশেষত বেশ কয়েকটি জেলায় উপস্থিতির হার এতটাই কম যে তা চোখে পড়ার মত। সেই কারনে বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের চিঠি পাঠিয়েছে বিকাশ ভবন। শিক্ষার অধিকার থেকে একজনও যেন বঞ্চিত না হয় তাই দুয়ারে পৌঁছে যাচ্ছেন বহু স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা। বিভিন্ন জেলায় দেখা গিয়েছে সেই ছবি। কিন্তু তারই মাঝে বন্ধ হয়ে গেল রাজ্যের ২০৩টি স্কুল, শিক্ষকদের বদলি করে স্কুলের ঝাঁপ বন্ধ করে দেওয়ার পরোক্ষ সিদ্ধান্ত নজিরবিহীন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।









