নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত শনিবার থেকে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মোমিনপুর ও ইকবালপুর। সেই ঘতনায় কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়। মোমিনপুরের ঘটনার তদন্ত করবে সিট, নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ঘটনার তত্ত্বাবধান করবেন রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্য ও কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল। আগামী দুই সপ্তাহ পর রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট।
আরও পড়ুনঃ SSC: উচ্চ প্রাথমিকে ১৫৮৫ পদে নিয়োগ, স্কুল সার্ভিস কমিশনের বিজ্ঞপ্তি আসছে শীঘ্রই
একইসঙ্গে আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনায় যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। বিষয়টিকে যাতে সংবেদনশীলতার সঙ্গে দেখা হয় সেই নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন সাহায্য করবে বলে জানিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে আদালতের তরফে বলা হয়েছে, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার পরেই এনআইএর হস্তক্ষেপ নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আপাতত পুলিশের ওপরেই ভরসা রাখছে আদালত। একইসঙ্গে এদিন প্রশাসনের তরফে জানতে চাওয়া হয় এফআইআরের প্রেক্ষিতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? রাজ্যের তরফে ইকবালপুর থানার ওসি আদালতে জানান, বেশকিছু আগ্নেয়াস্ত্র, বোমা, গুলি উদ্ধার হয়েছে। পাশাপাশি সংঘর্ষে জড়িতদের ৪২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মোমিনপুরের ঘটনার তদন্ত করবে সিট, দায়িত্বে রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতা পুলিশের সিপি

উল্লেখ্য, শনিবার থেকে মোমিপুরের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। জারি করা হয় ১৪৪ সোমবার মোমিনপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। কিন্তু চিংড়িঘাটার কাছেই তাঁর কনভয় আটকে দেয় পুলিশ। আটক করা হয়েছে রাজ্য বিজেপির সভাপতিকে। সেই ঘটনার পরে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয় বিজেপির তরফে। মুখ্যসচিবকে ডেকে রাজ্যপালকে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আর্জি জানান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।



