নজরবন্দি ব্যুরো: একজন ক্লার্ককে দিয়ে আদালতে হলফনামা জমা দেওয়ার ঘটনায় পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যানের উপর ক্ষুব্ধ কলকাতা হাইকোর্ট। তাঁকে ছুটিতে পাঠানোর নির্দেশ দেন এবং শিক্ষা দফতরের সচিবকে যত দ্রুত সম্ভব এই নির্দেশ কার্যকর করার কথাও বলা হয়েছে। ঠিক কী ঘটেছে?
আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিপাকে কালীঘাটের কাকু! আদালতে চার্জশিট জমা দেবে ED


এক শিক্ষকের বদলি সংক্রান্ত আবেদনের বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্ট পূর্ব বর্ধমানের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান তথা মেমারির তৃণমূল বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্যকে হলফনামা জমা দিতে বলে। কিন্তু চেয়ারম্যানের পরিবর্তে একজন আপার ডিভিশনের ক্লার্ক হলফনামা জমা দেয়। এই ঘটনায় চরম ক্ষুব্ধ উচ্চ আদালত। এর প্রেক্ষিতেই জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যানকে ছুটিতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। যদিও মধুসূদন ভট্টাচার্যের দাবি, তিনি করোনা ও ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ায় এই কাজ করতে বাধ্য হয়েছেন। বিচারপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।

চেয়ারম্যানের জবাব শুনে বিচারপতি বলেন, “আমি মনে করি আপনি শারীরিকভাবে এই পদে কাজ করতে অপারগ। অসুস্থ হলে পদত্যাগ করুন।” একইসঙ্গে শিক্ষা সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অবিলম্বে এই চেয়ারম্যানকে সরানোর বিষয় উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে। যদিও পরে অবশ্য বলা হয়, এই চেয়ারম্যানকে ছুটিতে পাঠাতে হবে।



উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় অবিলম্বে ইডি-সিবিআইকে যুক্ত করার নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। এক ঘণ্টার মধ্যেই দুই সংস্থার আধিকারিককে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। বিভিন্ন সময়ে তদন্তে গড়িমসির অভিযোগ উঠেছে, এই বিষয়টি সামনে এনে বিচারপতি কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সঠিক তদন্ত না হলে গোটা বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে জানাব।”
পূর্ব বর্ধমানের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যানকে ছুটিতে পাঠানোর নির্দেশ হাইকোর্টের








