নজরবন্দি ব্যুরো: নথি জাল করে কলেজের শিক্ষক পদে যোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে যোগেশচন্দ্র চৌধুরী ল’কলেজের মামলায় অধ্যক্ষ সুনন্দা ভট্টাচার্য গোয়েন্কার বিরুদ্ধে। সেই মামলায় তদন্ত করছিল কলকাতা পুলিশের অ্যান্টি ফ্রড সেকশন। কিন্তু সেই মামলায় তদন্তের কিনারা করতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে এবার তদন্তের ভার সিআইডি-কে দিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন: অন্তর্দ্বন্দ্বে জর্জরিত BJP, মুরলীধর সেন লেনে ‘বিক্ষুব্ধ’ গেরুয়া কর্মীদের বিক্ষোভ


এদিন কলকাতা আদালতে মামলা চলাকালীন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ দেন যে, সিআইডি চাইলে যোগেশচন্দ্র চৌধুরী ল’কলেজের মামলায় অধ্যক্ষ সুনন্দা ভট্টাচার্যকে জিজ্ঞেস করতে পারে। প্রয়োজন পরলে হেফাজতেও নিতে পারবে।

প্রসঙ্গত, ১০১৮ সালের অক্টোবর মাসে অধ্যক্ষ সুনন্দার বিরুদ্ধে নথি জালিয়াতি এবং আর্থিক অনিয়মের মামলা করেন যোগেশচন্দ্র চৌধুরী ল’কলেজের পরিচালন সমিতির প্রাক্তন সদস্য। শুধু তাই নয়, ওই মামলার ভিত্তি নিম্ন আদালত এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়।



এরপরেই এবছর নভেম্বর মাসে এফআইআর দায়ের করে কলকাতা পুলিশের চারু মার্কেট থানা তদন্ত শুরু করে। তারপরেই তদন্তভার যায় কলকাতা পুলিশের অ্যান্টি ফ্রড সেকশনে। কিন্তু তাতেও উঠে ব্যর্থতার অভিযোগ। সব শেষে আজ, বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলার তদন্তভারের নির্দেশ সিআইডিকে দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। দ্রুত তদন্ত শুরু করার পাশাপাশি আগামী ১৮ অক্টোবর তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেওয়ার ও নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।
নথি জাল করে কলেজের শিক্ষক পদে যোগ, কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ








