নজরবন্দি ব্যুরো: মোদীর প্রশংসায় এবার পঞ্চমুখ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ দিপাক্ষিক আলোচনার পর হাসিনা বলেন, দু’দেশের মধ্যে যত সমস্য়াই থাকুক তা আলোচনার মধ্যে মিটিয়ে নেওয়া হবে এবং মোদীজির নেতৃত্বে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক অন্য মাত্রা পেয়েছে। আজকে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়। এরপর নদীর জল বণ্টন সহ ৭টি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। আর তারপরই হাসিনার মুখে শোনা যায় প্রশংসা।
আরও পড়ুন: সমাধান হল না তিস্তার জলবণ্টনের সমস্যা, ৭টি মউ চুক্তি সই হল ভারত বাংলাদেশের মধ্যে


তিনি আজ সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ‘আমি মোদীজির দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসা করি। তাঁর নেতৃত্বে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও নিকটতম প্রতিবেশী। ভারত ও বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক প্রতিবেশী কূটনীতির রোল মডেল হিসেবে পরিচিত।’ তিনি এদিন আরও বলেন, ‘দুই দেশ অনেক অমীমাংসিত সমস্যার সমাধান করেছে এবং আমরা আশা করি যে তিস্তার জল বণ্টন চুক্তি সহ সকল অমীমাংসিত সমস্যা দ্রুত মিটে যাবে।’

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া ভারতীয় সেনাদের জন্য় বড় ঘোষণা করলেন শেখ হাসিনা। একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যেসব ভারতীয় সেনা শহিদ বা গুরুতর আহত হয়েছিলেন তাদের সন্তান সন্ততিদের মুজিব স্কলারশিপ দেওয়া হবে এমনটাই জানা যাচ্ছে। মনে করা হচ্ছে, আগামীকালই সেই ঘোষণা করতে পারেন হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হাসিনা, তাঁর আসা মোদীজি পারবেন তিস্তার সমস্যা সমাধান করতে



হাসিনার চার দিনের সফর শেষে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে ফিরছেন তিনি। সফরের প্রথমদিন ৫ই সেপ্টেম্বর তিনি হজরত নিজামউদ্দিন আউলিয়া দরগায় গিয়েছিলেন। ৬ই সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তাঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়েছে। আর তারপর রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ,উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় ও বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর। তাঁর সফরের শেষ দিন রাজস্থানের অজমেঢ়ে যাবেন। আর তিনি সেখান থেকে বাংলাদেশ ফিরে যাবেন।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



