নজরবন্দি ব্যুরোঃ গতমাসেই ইউক্রেন আক্রমনের নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেণ্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তারপর যত সময় এগিয়েছে ইউক্রেন জুড়ে তাণ্ডব দেখিয়েছে মস্কো। তছনছ হয়ে গিয়েছে ইউরোপের এই ছোট্ট দেশটি। সেইসঙ্গে চেরনোবিল ও জাপোরিঝঝিয়া পরমানু কেন্দ্র দখল করে রুশ সেনা। যা উস্কে দিয়েছিল পারমানবিক যুদ্ধের আশঙ্কা। এবার সেখান থেকেই উঠে আসল তেজস্ক্রিয় বর্জ্য চুরির ঘটনা।
আরও পড়ুনঃ Rampurhat Incident: কিসের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে রহস্য? নিহতদের ডিএনএ পরীক্ষা করবে সিবিআই
বিগত কয়েকদিন ধরেই কিয়েভের অদূরে একাধিক শহরে আক্রমন চালিয়েছে রুশ সেনা। প্রান গিয়েছে বহু সাধারন মানুষের। এসবের মাঝেই এবার উঠে এলো চাঞ্ছল্যকর তথ্য। এবার চেরনোবিল থেকে চুরি গিয়েছে ক্ষতিকারক বর্জ্য। এই প্রসঙ্গে সেই পারমানবিক কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা বলেন, রুশ সেনাদের আগ্রাসন কিছুটা কমার পরেই তেজস্ক্রিয় বর্জ্য পদার্থ চুরি হয়েছে। তবে প্রচলিত যেকোন বিস্ফোরকের সঙ্গে এটিকে মিশিয়ে অনায়াসেই বানান যেতে পারে ডার্টি বম্ব। যা চিন্তায় ফেলেছে সকলকে।
কী এই ডার্টি বম্ব? অনেকেরই অনুমান, প্লুটোনিয়ামের পাশাপাশি আরও বেশকিছু তেজস্ক্রিয় দ্রব্য দিয়ে তৈরি করা হয় এই ভয়াবহ অস্ত্র। যার বিস্ফোরণে এক পলকে মৃত্যুপুরীতে বদলে যেতে পারে গোটা এলাকা। সেইসঙ্গে বিস্ফোরনস্থল থেকে বিস্তীর্ণ এলাকায় থেকে যেতে পারে তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব। যা ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে পারে সুস্থ মানুষকে।
চেরনোবিল থেকে চুরি গিয়েছে ক্ষতিকারক বর্জ্য, কাঠগড়ায় পুতিনের রাশিয়া

এই নিয়ে ব্রিটেনের পরমানু বিজ্ঞানী ব্রুনো মার্ক বলেন, “চেরনোবিলে থাকা এই সমস্ত তেজস্ক্রিয় বর্জ্য দিয়ে আদতে কোনও পরমাণবিক বোমা বানানো সম্ভব নয়। কারন এগুলির মধ্যে কোনও ধরনের প্লুটোনিয়াম কিংবা ইউরেনিয়াম নেই। মূলত কোনও পারমানবিক বোমা বানানোর জন্য এই সমস্ত তেজস্ক্রিয় মৌলই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তবে সেগুলিকে অন্যভাবে যুক্ত করে ও ডার্টি বম্ব বানানো সম্ভব।”










