নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্য জুড়ে যখন মহার্ঘ্য ভাতার দাবীতে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে তখন DA ইস্যুতে রাজ্য সরকারি কর্মীদের তীব্র আক্রমন করলেন তৃনমূল সাংসদ শান্তনু সেন। তিনি বলেন করোনা ভাইরাসের সময় যখন সবকিছু বন্ধ ছিল। লকডাউন চলছিল তখন কাজ না করেই বেতন পেয়েছে রাজ্যের সরকারি কর্মীরা। এই নজিরবিহীন মন্তব্যে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল।
আরও পড়ুনঃ এবার রাজ্যের সব DM অফিস ঘেরাও, বকেয়া ডিএ-র দাবিতে তীব্রতর হবে আন্দোলন


তৃণমূল নেতা, সাংসদ হোক বা বিধায়ক, তাঁদের যারা সিকিওরিটি প্রদান করেন তাঁরা সবাই পুলিশ কর্মী। সবাই সরকারি চাকুরে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে সেই সমস্ত কর্মচারীদেরও অপমান করা হয়েছে এমন মন্তব্য করে। তবে শুধু শান্তনু সেন নন, খোদ মুখ্যমন্ত্রীও একাধিকবার মহার্ঘ্য ভাতা ইস্যুতে তোপ দেগেছেন আন্দোলনকারীদের। এই সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে প্রশাসনিক স্তরেও।

বকেয়া মহার্ঘ ভাতার দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। সংকারি কর্মী সংগ্রামী যৌথমঞ্চের ডাকে ১০০ দিন ধরে ধরনা অনশন চালিয়েছেন তাঁরা। গতকাল মহামিছিল হয় তাঁদের। এমনকী, ১০ মার্চ বন্ধের ডাক দিয়েছিলেন তাঁরা। ধর্মঘটের বিরোধিতা করে রাজ্য সরকারের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, বন্ধের দিন অনুপস্থিত থাকলে ১ দিনের বেতন কাটা হবে। প্রয়োজনে সরকারি কর্মীদের সার্ভিস ব্রেক হবে। সেইমতো পদক্ষেপ নিয়েছিল নবান্ন।



এদিকে গতকালের মিছিল কার্যত জনস্রোতে পরিণত হয়। মিছিল যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের বাড়ির পাশ দিয়ে। মিছিল থেকে চোর চোর স্লোগান ওঠে। বিরাট মিছিলের জেরে মিছিলের পরদিন অর্থাৎ আজ থেকে আগামী ২ মাসের জন্যে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে প্রশাসনের তরফে।
কাজ না করেই বেতন পেয়েছে কোভিডে, DA আন্দোলনকারীদের তীব্র আক্রমনে তৃণমূল!

সূত্রের খবর, মহা মিছিলের পরেই থামছেনা যৌথ সংগ্রামী মঞ্চ। এবার রাজ্য জুড়ে ডিএম অফিস ঘেরাও ও অবস্থানের কর্মসূচী নেওয়ার কথা ভাবছে যৌথ সংগ্রামী মঞ্চ। যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, বকেয়া ডিএ-র দাবিতে গত কালের পর এবার লাগাতার কর্মবিরতির কথাও ভাবা হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হয়নি।







