নবান্ন-রাজভবন সংঘাত নতুন কিছু নয়। রাজ্য- রাজ্যপাল সংঘাতে মাঝে মাঝেই উতপ্ত হয়ে ওঠে রাজনীতির ময়দান। এবার সেই সংঘাত উঠল চরমে। রাজ্যপালের রিপোর্ট কার্ডের পাল্টা রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ করল নবান্ন। সেখানে রাজ্যপালের কড়া নিন্দা করে বলা হয়েছে, “আচার্য তার ক্ষমতা পালনে ব্যর্থ। অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগ থেকে শুরু করে স্থায়ী উপাচার্য প্রতিটি ক্ষেত্রেই রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্যের আলোচনা বাধ্যতামূলক। রাজ্যপাল তা মানছেন না। আচার্যর ভূমিকা রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করছে শুধু নয়, অনেক ছাত্র ছাত্রীদের পিছনে ফেলে দিচ্ছে।”

আরও পড়ুন : ভোটের মুখে স্বস্তিতে আমজনতা, নয়া অর্থবর্ষে কত হল রেপো রেট?


রবিবার আচার্য হিসাবে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী উপাচার্য রজত কিশোর দে কে সরিয়ে দেন । সোমবার উচ্চশিক্ষা দফতর নির্দেশিকা জারী করে রজতকে কাজ চালিয়ে যেতে বলে। ফের সেইমত মঙ্গলবার থেকে কাজ শুরু করেছেন রজত। বুধবার রাজ্যপাল নতুন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছেন কোন উপাচার্য রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দফতরের নির্দেশ মেনে কাজ করতে পারবেন না। কারণ আইনত তা সঠিক নয়।তা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরিপন্থী। শিক্ষাবিদদের মতে, গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে কড়া অবস্থান নিলেন রাজ্যপাল।

রাজভবনের রিপোর্ট কার্ড বনাম নবান্নের রিপোর্ট কার্ড! সরানো হবে ব্রাত্যকে?
বুধবার সন্ধ্যায় রাজভবন থেকে ‘রাজ্যপালের রিপোর্ট কার্ড’ নামে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর উপস্থিতিতে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃণমূলের অধ্যাপক সংগঠন ‘ওয়েবকুপা’র সভা বসেছিল। সেখানে তিনি ‘ওয়েবকুপা’ ও ‘ওয়েবকুটা’র মধ্যে কি কি বৈষম্য দেখা যাচ্ছে সেটা পরিলক্ষিত করেন। ব্রাত্য বসুর সেই পদক্ষেপে আদর্শ নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গের দাবী ওঠে। রাজ্যপাল বলেছেন, ‘আপনি যতই উঁচুতে থাকুন না কেন, আইন আপনারও উপরে।’ তারপরই ব্রাত্য বসুকে শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে সরানোর নির্দেশ দেন রাজ্যপাল।তবে গোটা ঘটনাটিকে হাস্যকর বলে দাবী করেছেন শিক্ষামন্ত্রী।







